নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশকে চিঠি
তীব্র গরমে তীব্র ক্ষোভ, লক্ষ্যবস্তু পল্লী বিদ্যুতের স্থাপনা
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৪ পিএম আপডেট: ১২.০৮.২০২৬ ৭:০৮ পিএম (ভিজিট : ৮)

গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘ সময় লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে জনরোষ বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের উপকেন্দ্র ও কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বরাবর চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন।
বুধবার ( ১২ আগস্ট) সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের স্বাক্ষরে চিঠিটি পাঠানো হয়। এতে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রিড, উপকেন্দ্র ও কার্যালয়ে নিরাপত্তা জোরদারের জন্য স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, জ্বালানি সংকট ও তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে। গত কয়েক দিনে ৮০টি সমিতির গড় চাহিদা ছিল ৮ থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ মিলেছে ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। ফলে কোনো কোনো এলাকায় দিনে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।
দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে কোথাও কোথাও সাধারণ মানুষ পল্লী বিদ্যুতের স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুর করছে বলে জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
এদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, গ্যাসের ঘাটতি চলমান বিদ্যুৎ সংকটের অন্যতম কারণ। পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না।
তিনি জানান, বঙ্গোপসাগরের বৈরী পরিস্থিতির কারণে সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে নতুন এলএনজি খালাস করা যাচ্ছে না। দুর্ঘটনার পর এক্সেলারেট এনার্জির টার্মিনালও এখনো পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কিছুটা সময় লাগবে।
ডেল্টা টাইমস/ আরএফ