নদী প্রকৃতির এক অমূল্য উপাদান, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নদী শুধুমাত্র জলধারার প্রবাহ নয়; এটি জীববৈচিত্র্যের একটি প্রধান আশ্রয়স্থল, মানুষের জীবিকা এবং পরিবেশ সুরক্ষার অন্যতম একটি প্রধান নিয়ামক। নদীর অবদান আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতিটি স্তরে দৃশ্যমান। নদী পৃথিবীর জলচক্রের একটি প্রধান উপাদান। পৃথিবীর ৬০% মিঠা পানি নদীগুলোর মাধ্যমে সরবরাহ হয়। বিশ্বের প্রায় ৪০% মানুষ সরাসরি নদীর পানির ওপর নির্ভরশীল। বৃষ্টি ও বরফ গলার মাধ্যমে নদীতে পানি প্রবাহিত হয় এবং তা সমুদ্রে গিয়ে মিশে বাষ্পে পরিণত হয়। এভাবে জলচক্র টিকে থাকে। নদী ভূগর্ভস্থ জলের স্তর পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে, যা মানুষ এবং জীববৈচিত্র্যর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নদী বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের বাসস্থান। মাছ, জলজ উদ্ভিদ, পাখি এবং বিভিন্ন জলজ প্রাণী নদীর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নদীগুলোতে প্রায় ১০০,০০০ প্রজাতির জলজ প্রাণী বাস করে। নদীর প্রবাহ এবং পাড় সংলগ্ন এলাকা জীববৈচিত্র্েযর বিকাশে সহায়তা করে। এটি প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নদী কৃষি কার্যক্রমের জন্য প্রধান জল সরবরাহকারী। সেচের জন্য নদীর পানি ব্যবহৃত হয়, যা খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ। নদীর পানির মাধ্যমে সেচ দেওয়া হয় বাংলাদেশের মোট কৃষিজমির ৪৭%। নদী থেকে পাওয়া পলি মাটি কৃষি জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে, যা ফসল উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করে।
বাংলাদেশে প্রতি বছর নদীগুলো প্রায় ২ বিলিয়ন টন পলিমাটি জমা করে। প্রাচীনকাল থেকেই নদীর তীরে মানব সভ্যতা গড়ে উঠেছে। নদী মানুষের জীবনধারায় সরাসরি প্রভাব ফেলে। এটি পানীয় জল, স্নান, খাদ্য উৎপাদন, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং পরিবহন ব্যবস্থায় সহায়ক। নদী তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। নদী সংলগ্ন এলাকার তাপমাত্রা নদীবিহীন এলাকার চেয়ে ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। এটি জলবায়ুর শীতলতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। নদীর পাশে গাছপালা ও জীবজন্তু পরিবেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে। মিঠা পানির প্রাণীদের মধ্যে ৭০% নদীতে বসবাস করে। গঙ্গা নদীতে প্রায় ১০০ প্রজাতির মাছ এবং গাঙ্গেয় ডলফিনের বসবাস। নদীর পানির প্রবাহ প্রাকৃতিকভাবে মাটি এবং বায়ুর দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন জৈব বর্জ্য নদীতে প্রবাহিত হয়ে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় পচনশীল হয়, যা পরিবেশের জন্য সহায়ক। নদী জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে গভীরভাবে জড়িত। যখন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গ্লোবাল ওয়ার্মিং ঘটে, তখন বন্যা, খরা এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়। নদীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার একটি কার্যকরী উপায় হতে পারে। নদী তার তীরবর্তী অঞ্চলে মাটি স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে। প্রবাহিত পানি এবং নদীর পলির কারণে জমির ক্ষয় রোধ হয়। কিন্তু নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহ ব্যাহত হলে বা তীরের গাছপালা ধ্বংস হলে ভূমিক্ষয় বেড়ে যায়, যা পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব বিস্তার করে।
নদী পৃথিবীর প্রধান মিঠা পানির উৎস। পৃথিবীর ৭০% মিঠা পানি নদী এবং হ্রদ থেকে আসে। যদি নদীর পানি দূষিত হয়, তবে মানুষসহ জীববৈচিত্র্যের উপর ভয়ানক প্রভাব পড়ে। প্রতিদিন ঢাকার চারপাশের নদীতে প্রায় ২২ হাজার টন বর্জ্য ফেলা হয়। ৮০% দূষণ শিল্পকারখানা এবং গৃহস্থালি বর্জ্য থেকে হয়। নদীর গতিপ্রবাহ জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে বৈদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করার মধ্য দিয়ে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করা সম্ভব। তবে, এই প্রকল্পের সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রয়োজন, যাতে পরিবেশের ক্ষতি না হয়। নদী নৌপরিবহনের মাধ্যমে সহজ, সস্তা ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা প্রদান করে। বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৫০ মিলিয়ন টন পণ্য পরিবহন নদীপথে সম্পন্ন হয়ে থাকে। এটি ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন ঘটায় এবং স্থানীয় ও জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন খাত জিডিপিতে প্রায় ২% অবদান রাখে। নদী বিভিন্ন দেশের পর্যটন শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য, নৌবিহার, এবং নদীর তীরবর্তী ঐতিহাসিক স্থানগুলো পর্যটকদের আকর্ষণ করে। নদীর সাথে অনেক সংস্কৃতি ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানও জড়িত, যা ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে এই প্রাকৃতিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়। এজন্য নদীর প্রবাহকে প্রাকৃতিক রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা প্রয়োজন।
নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের বনভূমি পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বনভূমি কার্বন শোষণ করে, অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং জলবায়ুর ভারসাম্য বজায় রাখে। তাছাড়া, এটি বন্যপ্রাণীর আশ্রয়স্থল হিসেবেও কাজ করে। নদী বন্যা ও খরা উভয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বৃষ্টি কম হলে নদী তার সংরক্ষিত পানি সরবরাহ করে এবং বৃষ্টি বেশি হলে অতিরিক্ত পানি প্রবাহিত করে বন্যা প্রতিরোধ করে। দেশে প্রতি বছর বর্ষাকালে নদীগুলো প্রায় ৩০ বিলিয়ন ঘনমিটার অতিরিক্ত পানি ধারণ করে। পৃথিবীতে ১৬৫টি প্রধান নদীর নেটওয়ার্ক রয়েছে, যেগুলোর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২.৯ মিলিয়ন কিলোমিটার। সরকারি তথ্য অনুসারে, বর্তমানে দেশে ১৪১৫টি নদী রয়েছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নদীপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৪,১৪০ কিলোমিটার। দেশের মোট ভূখণ্ডের ৮% জুড়ে নদী রয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় ৮০% মানুষ মিঠা পানির জন্য নদীর ওপর নির্ভরশীল। গঙ্গা (ভারত) এবং চিন নদী (চীন) বিশ্বের অন্যতম দূষিত নদীগুলোর তালিকায় শীর্ষে। নদী থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন বাংলাদেশে খুব কম হলেও, বিশ্বে প্রায় ১৬% বিদ্যুৎ উৎপাদন নদীর জল থেকে হয়। নদীর দূষণের কারণে প্রতি বছর দেশে পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৭০ লাখ। নদীর পাড় দখলের কারণে দেশে প্রতি বছর নদীর প্রায় ১% এলাকা হারিয়ে যাচ্ছে।
গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকায় প্রায় ৬০ কোটি মানুষের জীবন নির্ভর করে। বিশ্বে প্রতি বছর বন্যার কারণে ২৫০ মিলিয়ন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যার কারণে বছরে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়। বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশের ১৫০টিরও বেশি নদী শুকিয়ে গেছে বা হারিয়ে গেছে। নদীর বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ, এবং ধলেশ্বরী নদী দূষণের কারণে মৃতপ্রায়। প্রতি বছর ১০,০০০ টন প্লাস্টিক বর্জ্য ঢাকার নদীতে ফেলা হয়। শুকনো মৌসুমে বুড়িগঙ্গা নদীর পানিতে অক্সিজেনের মাত্রা প্রায় শূন্যে নেমে আসে। দেশের ৯০% নদীর পানি এখন সেচের জন্যও অনিরাপদ। বিশ্বের ৪০% খাদ্য উৎপাদন নদীর পানির মাধ্যমে সেচের ওপর নির্ভরশীল। গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় কৃষিকাজে ব্যবহৃত হয় প্রায় ৭০% নদীর পানি। দেশের প্রায় ৪৫% সেচকাজ নদীর ওপর নির্ভরশীল। ২০৩০ সালের মধ্যে নদী দূষণের কারণে কৃষির উৎপাদনশীলতা ১৫% হ্রাস পেতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছর নদীর পাড় ভাঙনের কারণে ৫০,০০০ মানুষ গৃহহীন হয়। গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার প্রবাহ ২০৫০ সালের মধ্যে ১৫% কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। খরার সময়ে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদীতে পানির প্রবাহ ৭৫% কমে যায়।
পরিবেশ রক্ষায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতিমালা সমূহ-
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন (২০১৩) : এ আইনের মাধ্যমে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন গঠন করা হয়। দেশের নদীগুলোকে অবৈধ দখল ও দূষণ থেকে সুরক্ষা দেওয়া। নদীর প্রবাহ বজায় রাখা। নদীর সীমানা নির্ধারণ ও তদারকি।
পানি আইন (২০১৩) : পানির ব্যবহার ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার জন্য এই আইন প্রণীত হয়। নদীর পানি ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য রাখা। পানির অপচয় এবং দূষণ রোধ। কৃষি, শিল্প এবং ঘরোয়া কাজে পানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ।
জলাধার সংরক্ষণ আইন (২০০০) : এই আইন জলাধার, নদী, পুকুর এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক জলাশয়ের সংরক্ষণে সহায়তা করে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অনুমতি ছাড়া কোনো প্রাকৃতিক জলাশয় ভরাট করতে পারবে না। পরিবেশগত সুরক্ষার জন্য জলাধারের আকার অপরিবর্তিত রাখতে হবে।
দূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯৫ (পরিবেশ সংরক্ষণ আইন) : পরিবেশগত দূষণ রোধে এই আইন কার্যকর ভূমিকা পালন করে। নদীর পানিতে রাসায়নিক বা বর্জ্য ফেলা নিষিদ্ধ। শিল্পকারখানা থেকে নির্গত বর্জ্য নদীতে ফেললে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা।
ভূমি ব্যবহার নীতিমালা (২০০১) : নদীর তীরের ভূমি অবৈধ দখল এবং ব্যবহারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে। নদীর তীরে কৃষি, বাসস্থান বা বাণিজ্যিক কাজে ভূমি ব্যবহারে সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী প্রণয়ন।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড আইন ( ১৯৭২) : এই আইনের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ড (ইডউই) গঠন করা হয়। নদীর প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ। বন্যা প্রতিরোধ। নদীর গভীরতা এবং পানির স্তর রক্ষণাবেক্ষণ।
নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ আইন ( ২০১৮) : নদীপথের ব্যবস্থাপনা, সুরক্ষা এবং পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়তা করে। এটি নদীর পানিপথ পরিষ্কার রাখা এবং নদী খননের দায়িত্ব পালন করে।
গঙ্গা পানি চুক্তি( ১৯৯৬) : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানি ভাগাভাগির একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি। শুষ্ক মৌসুমে পানির ন্যায্য বণ্টন।দুই দেশের মধ্যে জলবণ্টন সমস্যা সমাধান। ট্রান্সবাউন্ডারি ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট আন্তর্জাতিক নদীর পানির ন্যায্য ব্যবহার নিশ্চিত করতে এই চুক্তি কার্যকর। বিশেষত ব্রহ্মপুত্র এবং তিস্তা নদী নিয়ে আলোচনায় এটি গুরুত্বপূর্ণ। নদী দখলদার উচ্ছেদ অভিযান ২০১৯ সালে শুরু হওয়া অভিযানে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা এবং বালু নদীর পাড় দখলমুক্ত করা হয়েছে। নদীর সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রকল্প, ইকোসিস্টেম পুনরুদ্ধার উদ্যোগ ইত্যাদি। নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে মামলা দীর্ঘায়িত হয়, যা কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণে বাধা সৃষ্টি করে। আইন কার্যকর করার জন্য সমন্বয়হীনতা এবং দুর্বল নজরদারি। জনসচেতনতার অভাব, যা আইন বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করে। বাংলাদেশের নদীগুলো রক্ষা করতে আইন ও নীতিমালার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধুমাত্র আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়, এর সুষ্ঠু প্রয়োগ এবং জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধিও অপরিহার্য। আইনি কাঠামো এবং সামাজিক উদ্যোগের সমন্বয়েই নদীর টেকসই সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব। নদী শুধুমাত্র পরিবেশগত ভারসাম্যের জন্য নয়, বরং অর্থনীতি, কৃষি এবং মানবিক জীবনের প্রতিটি স্তরের জন্য অপরিহার্য। পরিসংখ্যান ও তথ্য থেকে স্পষ্ট যে, নদীর প্রতি মানুষের সচেতনতা এবং দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি না হলে এটি পরিবেশ ও জীবনের ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলবে। সুতরাং, সময় এসেছে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার। ইংরেজি রোমান্টিক আন্দোলনের অন্যতম প্রধান কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ (William) বলেছিলেন- "Nature never did betray the heart that loved her"।
লেখক : ল্যাবরেটরী এ্যাটেনডেন্ট, এনভায়রনমেন্টাল অর্গানিক কেমিস্ট্রি ল্যাব.
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কেন্দ্র, ঢাকা
ডেল্টা টাইমস/অমৃত চিছাম/সিআর/এমই