মিয়ানমারের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান এখনো অনিশ্চিত। দমন-পীড়ন, বাস্তুচ্যুতি, অর্থনৈতিক দুর্দশা এবং বিপুল ত্যাগ সত্ত্বেও দেশটিতে শান্তি ফিরে আসেনি। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের সংগ্রাম পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান, যা জনগণের প্রতিরোধের দৃঢ়তা বুঝতে সাহায্য করে। কর্তৃপক্ষ সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখলেও আপস বা রাজনৈতিক সমাধানের দিকে অর্থবহ অগ্রগতি হয়নি। নির্বাচনের পর যে শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। নির্বাচনের পর চলমান গৃহযুদ্ধের মধ্যেও মিয়ানমার সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন, কূটনৈতিক যোগাযোগ সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি এবং অর্থনীতি শক্তিশালী করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমার, বিশেষ করে রাখাইন রাজ্যে, শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য অপরিহার্য। সরকার আন্তর্জাতিক উদ্যোগের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি ফিরিয়ে আনার বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ নিতে পারলে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্ক উন্নত হতে পারে এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা জোরদার হবে।
মিয়ানমার-বিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থা জানিয়েছে, দেশটিতে গুরুতর অপরাধের সংখ্যা ও মাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে এবং সামরিক বাহিনী বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বিমান হামলা জোরদার করেছে। সামরিক বাহিনী ঘরবাড়ি, স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় স্থাপনা এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, প্রতিরোধ গোষ্ঠী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিমান হামলা, অগ্নিসংযোগ ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির মাধ্যমে বেসামরিক মানুষের ওপর সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। সামরিক বাহিনী ও জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি উভয়ের বিরুদ্ধেই রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের ওপর ব্যাপক ও পদ্ধতিগত নির্যাতনের অভিযোগ চলমান রয়েছে। মাদক উৎপাদন, মানব পাচার ও প্রতারণা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন অবৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সংঘাতের অর্থায়নে সহায়তা করছে এবং মানবাধিকার সংকটকে আরও গভীর করছে। রোহিঙ্গারা রাখাইন থেকে পালিয়ে এখন ও বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছে, যা অবিলম্বে বন্ধ করতে আরাকান আর্মিকে এগিয়ে আসতে হবে। মিয়ানমারের মধ্যে ক্যাম্পগুলোতে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদেরকে তাদের নিজ গ্রামে ফিরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। রাখাইনের নিয়ন্ত্রণ কার্যত এখন আরাকান আর্মি ও ইউনাইটেড লীগ অব আরাকানের ( ইউ এল এ) হাতে। ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (এন ইউ জি) ও ইউ এল এ’তে রোহিঙ্গা প্রতিনিধি নেয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।
প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের পর মিন অং হ্লাইং ১০০ দিনের একটি উদ্যোগ ঘোষণা করে এবং সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোকে শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানায়। কাচিন ইনডিপেনডেন্স অর্গানাইজেশন, কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন, চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট ও আরাকান আর্মিসহ প্রধান প্রতিরোধ সংগঠনগুলো এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। চীনের চাপের মুখে মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ) এখন মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত হয়েছে। এমএনডিএএ চীনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত বাণিজ্যপথ নিয়ন্ত্রণ করে। তাই চীনের সমর্থনে মিয়ানমার সরকার এসব পথে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।
প্রধান সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো পৃথকভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলে তার সম্মিলিত প্রভাব চলমান সংঘাতের ভারসাম্য বদলে দিতে পারে। তখন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী সেনাদের পুনর্বিন্যাস করে নতুন অভিযান শুরু করার সুযোগ পাবে, যা যুদ্ধকে আরও দীর্ঘায়িত করতে পারে। এ কারণে সমালোচকদের মতে, সরকারের ১০০ দিনের শান্তি উদ্যোগ মূলত নতুন নির্বাচনী ব্যবস্থার আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর একটি রাজনৈতিক কৌশল।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মিন অং হ্লাইং ভারত, চীন, রাশিয়া এবং আসিয়ানের কয়েকটি দেশ সফর করেছেন। চীনের ওপর মিয়ানমারের অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করাই তাঁর ভারত সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বলে মনে করা হয়। সফরকালে মিয়ানমার প্রতিশ্রুতি দেয় যে ভারতের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে তার ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। উভয় পক্ষ কালাদান মাল্টি-মোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রকল্প এবং ভারত-মিয়ানমার-থাইল্যান্ড ত্রিদেশীয় মহাসড়কসহ স্থবির সংযোগ প্রকল্পগুলো এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়।
মিন অং হ্লাইংয়ের রাশিয়া সফরে সামরিক সহযোগিতা, পারমাণবিক শক্তি, মহাকাশ, ডিজিটাল প্রযুক্তি, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং জ্বালানি প্রকল্প ছিল আলোচনার প্রধান বিষয়। রাশিয়া-মিয়ানমার সম্পর্ক এখন প্রতিরক্ষা, পারমাণবিক শক্তি, জ্বালানি, অবকাঠামো ও অন্যান্য কৌশলগত খাতে বিস্তৃত হয়েছে। বহু বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বাণিজ্য এই সম্পর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতা অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ মিত্রের সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে সরকারের আন্তর্জাতিক বৈধতা ও কৌশলগত অবস্থান শক্তিশালী করাও এই সফরের কূটনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল।
বেলারুশ সফরে মিন অং হ্লাইং বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে আলোচনা করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বেলারুশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো মিয়ানমারে কার্যক্রম শুরু করলে আসিয়ান ও বৃহত্তর এশীয় বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে। অন্যদিকে মিয়ানমারের রপ্তানি পণ্য বেলারুশের মাধ্যমে ইউরেশীয় অর্থনৈতিক ইউনিয়নের (ইএইইউ) বাজারে পৌঁছাতে পারবে, যা উভয় পক্ষের জন্য পারস্পরিক সুযোগ সৃষ্টি করবে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে ইএইইউর পর্যবেক্ষক মর্যাদা পাওয়ার চেষ্টা করছে এবং জ্বালানি, কৃষি, শিক্ষা ও পরিবহন খাতে সহযোগিতা নিয়ে ইএইইউ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনা করেছে।
আসিয়ান মিয়ানমারের সামরিক শাসনকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং দেশটিকে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক থেকে দূরে রেখেছে। তা সত্ত্বেও মিন অং হ্লাইংয়ের সাম্প্রতিক সফরগুলো পৃথক সদস্যদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়তা করেছে। আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতা কাটানোর বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ আসিয়ানের অভ্যন্তরীণ বিভক্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রতিটি সদস্যদেশের সঙ্গে আলাদাভাবে সম্পর্ক গড়ে তুলছে। লাওস, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় অভ্যর্থনা এসব সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সহায়তা করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ সামরিক সরকারকে কূটনৈতিক প্রভাব ও বৈধতার আবরণ দিচ্ছে এবং আসিয়ানের যৌথ শান্তি কাঠামো ‘পাঁচ দফা ঐকমত্য’কে দুর্বল করছে।
একই সময়ে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড মাদক এবং নিষিদ্ধ রাসায়নিক দ্রব্যের চোরাচালান রোধে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করে। মিন অং হ্লাইং থাই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি মিয়ানমারের প্রতিরোধ বাহিনীর কাছে সহায়তা ও অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার আহ্বানও জানায়। বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে ব্যাপক নৃশংসতা ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের মধ্যেই ব্যাংককের সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের সিদ্ধান্ত থাই রাজনীতিক এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী রাখাইন রাজ্যকে দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে যুক্তকারী সড়ক ও নৌপথে দীর্ঘদিন ধরে অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। ফলে রাখাইনের বহু বেসামরিক মানুষ ওষুধ এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঘাটতিতে ভুগছে। এ কারণে স্থানীয় মানুষ বাংলাদেশ ও ভারত থেকে খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি ও অন্যান্য জরুরি পণ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছে। সামরিক অভিযান, আরাকান আর্মির কার্যক্রম, চলাচলে বিধিনিষেধ এবং ব্যাপক নিরাপত্তাহীনতা সীমান্ত বাণিজ্য প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। একই সঙ্গে রাখাইনে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় মানুষের জীবিকা ব্যাহত হয়েছে। সংঘাত চলাকালে টেকনাফ-কানইন চং সীমান্তপথে সীমিত বাণিজ্য পুনরায় শুরু হলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটে। তাই সীমান্ত বাণিজ্য অর্থনৈতিক স্বার্থের পাশাপাশি মানবিক প্রয়োজনও পূরণ করে। বর্তমানে এর বড় অংশ অনানুষ্ঠানিক ব্যবস্থায় পরিচালিত হয়। একটি স্থিতিশীল ও আনুষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে উঠলে দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারিত হতে পারে।
সরকার বর্তমানে সামরিক সক্ষমতা বজায় রেখেই কূটনীতির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানো এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের চেষ্টা করছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে, বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে, সম্পর্ক আরও গভীর করছে। মিয়ানমার বৃহত্তর বাজারে প্রবেশের সুযোগ এবং তার ভৌগোলিক অবস্থানের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে। দেশটি এসব বিষয়কে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধির সুযোগ হিসেবে উপস্থাপন করছে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ এখনো অভ্যন্তরীণ সংঘাত অবসানে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। সাম্প্রতিক কয়েক দশকের অভিজ্ঞতা বলছে, রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া এই সংকটের সমাধান কঠিন হবে।
মিয়ানমারে শান্তি ফিরে না আসলে এসব উদ্যোগ সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করে সমঝোতা অর্জনের চেষ্টা কতটা কার্যকর হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। গোষ্ঠীগুলো ঐক্যবদ্ধ থেকে সমন্বিতভাবে কাজ করলে সরকারের কৌশল ব্যর্থ হতে পারে। তবে তাদের ঐক্য ভেঙে গেলে সামরিক বাহিনী পুনর্গঠিত হয়ে পৃথকভাবে হামলা চালাতে পারে। এতে গত পাঁচ বছরে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অর্জন ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং দেশ আবার আগের সংঘাতচক্রে ফিরে যেতে পারে। বর্তমানে কর্তৃপক্ষ কয়েকটি ক্ষেত্রে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। ভারত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে তার ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না, চীন কিছু প্রতিরোধ গোষ্ঠীর ওপর চাপ সৃষ্টি করছে, সামরিক বাহিনী রাশিয়া ও অন্যান্য দেশ থেকে বিমান ও অস্ত্র সংগ্রহ অব্যাহত রেখেছে এবং প্রতিরোধ বাহিনীর সরবরাহপথ দুর্বল হয়েছে। নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু হলে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়বে এবং উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। অন্যদিকে আলোচনাভিত্তিক রাজনৈতিক সমাধান মিয়ানমারের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে, আঞ্চলিক সংযোগ সম্প্রসারণে এবং যৌথ সমৃদ্ধির পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করতে পারে। এর জন্য সরকারকে অতীতের পথ থেকে সরে এসে আপস, অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি ও উন্নয়নের পথে এগোতে হবে। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রত্যাশা, মিয়ানমারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসুক এবং দেশটির মানুষ স্থায়ী শান্তি লাভ করুক।
লেখক: মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা বিষয়ক গবেষক।
ডেল্টা টাইমস/ব্রি. জে. (অব.) হাসান মো. শামসুদ্দীন/সিআর/এমই