রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফেরাতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও বাস্তবতা

ব্রি. জে. হাসান মো. শামসুদ্দীন (অব.)

মতামত

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারেই ফিরে যেতে হবে, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক মহলে এই নিয়ে বহুদিন ধরে আলোচনা ও নানা ধরনের উদ্যোগ

2026-09-27T17:45:19+06:00
2026-09-27T17:51:30+06:00
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফেরাতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও বাস্তবতা
ব্রি. জে. হাসান মো. শামসুদ্দীন (অব.)
প্রকাশ: রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৫ পিএম  আপডেট: ২৭.০৯.২০২৬ ৫:৫১ পিএম  (ভিজিট : ১০)

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারেই ফিরে যেতে হবে, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক মহলে এই নিয়ে বহুদিন ধরে আলোচনা ও নানা ধরনের উদ্যোগ চলমান রয়েছে। এই সংকট সমাধানে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি রাখাইনেও প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। একই সাথে রোহিঙ্গাদেরকে ও ফিরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফেরার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবস’ পালন করেছে। রোহিঙ্গা সংগঠন ইউনাইটেড কাউন্সিল অব রোহিঙ্গা (ইউসিআর) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ২০১৭ সালের পর থেকে ২৫ আগস্টকে রোহিঙ্গারা গণহত্যা স্মরণ দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। এই র‌্যালি ও সমাবেশে ১ লাখের বেশী রোহিঙ্গা অংশ নেয়। দিনটিকে ‘কালো দিবস’ আখ্যা দিয়ে ২০১৭ সালে রাখাইনে তাদের ওপর চালানো গণহত্যার বিচার, নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের দাবি জানায়। রোহিঙ্গারা নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনে বিশ্ববাসীর সহযোগিতা চায়। এই সমাবেশে তাঁরা শরণার্থী জীবন থেকে মুক্তি, নাগরিক অধিকার এবং সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের দাবি জানায়। ২০১২, ২০১৭ ও ২০২৪ সালে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন, নিপীড়ন, বৈষম্য, ও বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। রাখাইনে বাস্তুচ্যুত হওয়ার আগে রোহিঙ্গাদের দীর্ঘদিনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক ঐতিহ্য ছিল। সমাবেশে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও কার্যকর ও দৃশ্যমান ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। মিয়ানমারের চলমান রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও নিজ ভূমিতে ফেরার নিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বেগ প্রত্যাবাসনকে আরও জটিল করে তুলেছে। 

বার্মা হিউম্যান রাইটস নেটওয়ার্কের তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বসবাস ও চাষাবাদের জমিগুলো রাখাইন পরিবারকে হস্তান্তর করা হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের জমিতে রাখাইন বসতি স্থাপন এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা পরিবারকে তাদের মূল গ্রামে ফিরে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং পরিবর্তে নির্ধারিত বসতিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। জমি, সম্পত্তি, চলাফেরার স্বাধীনতা, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের গ্যারান্টি ছাড়াই রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিলে পরিস্থিতি পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি তৈরি করবে। এই পরিস্থিতি রোধ করতে রাখাইনে চলমান সংঘাত বন্ধ, রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ, জমি ও বাসস্থানের অধিকার এবং নাগরিকত্বসহ মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। রাখাইন রাজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ এখন ‘আরাকান আর্মি’র নিয়ন্ত্রণে থাকার পরও মানবাধিকার লঙ্ঘনের মত ঘটনা ঘটছে এবং সেখানে বসবাসকারী রোহিঙ্গারা বেশ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, বৈষম্য, বাস্তুচ্যুতি ও অন্যান্য অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত নতুন করে প্রায় ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৯০ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। সংকট সমাধানে আন্তরিক হলে আরাকান আর্মিকে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি আরাকান আর্মিকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার বিষয়ে ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সম্মত হতে হবে। তবে রাখাইনের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে তেমন উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে আরাকান আর্মির সাথে রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমেই রাখাইনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার সরকারের মধ্যে সম্ভাব্য রাজনৈতিক সমঝোতা কিংবা সংঘাতময় পরিস্থিতির জন্য বাংলাদেশকে প্রস্তুত থাকতে হবে যা রাখাইনের ভবিষ্যৎ এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। 

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকারের মধ্যে প্রত্যাবাসন বিষয়ে একটি সমঝোতো স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে ১ হাজার ১৭৬ জন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পরিকল্পনা করা হয়। চীনের মধ্যস্থতায় ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রত্যাবাসন বিষয়ে রোহিঙ্গাদের আস্থা ও আগ্রহ বাড়াতে ২০২৩ সালের ৫ মে ২০ রোহিঙ্গাসহ ২৭ সদস্যের একটি দল মংডু শহরতলী সফর করে এবং সেখানকার কয়েকটি গ্রাম ও ট্রানজিট সেন্টার ঘুরে দেখে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সাথে আরাকান আর্মির সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হয়নি।

রোহিঙ্গা সমস্যাটি বাংলাদেশের জন্য কেবল মানবিক নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রশ্ন। ইউএনএইচসিআরের ৩১ জুলাই ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৩৩টি ক্যাম্পে এবং ভাসানচরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১২,০২,০৩৪। একই সময়ে ৩৪ হাজার ৩০১ জন অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ১০০ নতুন শিশু জন্ম গ্রহণ করেছে। দীর্ঘমেয়াদি এই সংকট সীমান্তে অপরাধ, চোরাচালান ও মাদক সন্ত্রাসের ঝুঁকি তৈরি করে। রোহিঙ্গাদের দীর্ঘ মেয়াদের অবস্থানের কারনে খাদ্য, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোতে অতিরিক্ত চাপ বাংলাদেশকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে। ক্রমহ্রাসমান ত্রাণ সহায়তা সংকট পরিস্থিতি আর ও জটিল করে তুলছে। জাতিসংঘের মতে, মিয়ানমারের সংকট মোকাবিলায় মানবিক সহায়তা বাড়ানোর পাশাপাশি মানবাধিকার সুরক্ষা, জবাবদিহি এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধানের দিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। মিয়ানমারের চলমান সঙ্ঘাত ও অস্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে আসার কারণে রোহিঙ্গা সঙ্কট ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। এমন বাস্তবতায় যতই দিন যাচ্ছে রোহিঙ্গারা দেশে ফেরার অনিশ্চতায় হতাশায় ভূগছে।

রোহিঙ্গাদেরকেও নিজেদের ভবিষ্যৎ গঠনে অর্থবহ ভূমিকা পালন করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বাংলাদেশে অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টি ও নেতৃত্ব দানের সক্ষমতা সৃষ্টির সুযোগ, পরিবেশ ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। রোহিঙ্গা তরুণদের প্রত্যাবাসন এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও নেতৃত্বের সক্ষমতা গড়ে তুলতে শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ করতে হবে। রাখাইনে ফিরে যাওয়ার পর তাদেরকে স্বাবলম্বী করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে প্রস্তুত রাখতে হবে। গত নয় বছরে রাখাইন ও তাদের ফেলে আসা গ্রামগুলো সম্পর্কে তাদেরকে ধারনা দিতে হবে এবং সেখানে যাওয়ার পর প্রাথমিক ভাবে পরিস্থিতির সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য সহায়তার ব্যবস্থা থাকতে হবে। 

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যেও বেশ কিছু করনীয় রয়েছে। গৃহযুদ্ধের কারনে গত পাঁচ বছরে ক্ষতিগ্রস্ত রাখাইনের পুনঃগঠনের উদ্যোগ নিয়ে রাখাইনদের পাশাপাশি মিয়ানমারের ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদেরকে তাদের ভিটামাটিতে পুনর্বাসিত করার ব্যবস্থা নিতে হবে। রোহিঙ্গা ও রাখাইন এই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যেকার বহুদিন ধরে চলমান অবিশ্বাস ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে সহযোগিতার জন্য আসিয়ান সদস্য দেশগুলোর পর্যবেক্ষক এবং একই সাথে আসিয়ানের বাহিরের মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির কাছে গ্রহণযোগ্য দেশ চীন, জাপান দক্ষিণ কোরিয়ার পর্যবেক্ষকদের তদারকিতে টেকসই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম গ্রহণ করা যেতে পারে। মিয়ানমারের মানবাধিকার কর্মীদের অনেকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে সোচ্চার না। মিয়ানমারের প্রথম সারির মানবাধিকার কর্মী মিন কোন নাইং ২০১৭ সালের রোহিঙ্গাদের উপর চালানো নৃশংসতা ও রোহিঙ্গা ঢলের পর তারা জানায় যে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের স্বীকৃত ক্ষুদ্র জাতিগুষ্ঠিগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়। এনইউজিও রোহিঙ্গাদের বিষয়ে প্রথম দিকে আগ্রহ দেখায়নি। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে এনইউজি উত্তর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপর অবিচার করা হয়েছে বলে জানান এবং রোহিঙ্গা মানবাধিকার কর্মী অং কিয়াও মো’কে মানবাধিকার বিষয়ক উপমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়। বাংলাদেশে অবস্থানকারী রোহিঙ্গার মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য করতে হলে রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে মিয়ানমারের রাজনৈতিক দল, সাধারণ জনগণের মনোভাব পরিবর্তন জরুরী। 

এই সংকট সমাধানে চীন, আসিয়ান, জাতিসংঘ, রাখাইনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পক্ষ এবং মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে নিয়ে একটি সমন্বিত কৌশল প্রণয়নে বাংলাদেশকে  কাজ করতে হবে। এই পরিকল্পনায় রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় সবচেয়ে বেশি আর্থিক সহায়তা দেয়া যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোকেও সাথে রাখতে হবে। রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু মানবিক সমস্যা হিসেবে নয়, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয় হিসেবেও তুলে ধরতে হবে। রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, নাগরিকত্বসহ পূর্ণ মর্যাদার সাথে দেশে ফেরৎ পাঠাতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। অন্যথায় আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশ সরকার এই সংকট সমাধানের কাজ এগিয়ে নিতে ছ’দফা কৌশল বাস্তবায়নে কাজ করছে। কূটনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের জন্য তহবিল সংগ্রহ অব্যাহত রাখতে হবে এবং এই বিশাল সংকট বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে একা মোকাবেলা করা সম্ভব নয়— তা সারা বিশ্বকে বোঝাতে হবে।
রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের মানবিক ও জাতীয় নিরাপত্তা, কূটনৈতিক স্বার্থ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ক্রমবর্ধমান হুমকি হয়ে উঠেছে। এই সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে একটি বাস্তবায়নযোগ্য রাজনৈতিক রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে। রাখাইন রাজ্য নিয়ে ভবিষ্যতে যে কোনও আলোচনায় বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলির সাথে আরও কৌশলগতভাবে জড়িত হতে হবে। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় মিয়ানমারে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কৌশল তৈরি করতে হবে। রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফেরার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকল বাধা দূর হয়ে যাক এটাই প্রত্যাশা।

                                                                 লেখক :  মিয়ানমার ও  রোহিঙ্গা বিষয়ক গবেষক

ডেল্টা টাইমস/ব্রি. জে. হাসান মো. শামসুদ্দীন/সিআর/এফএএইচ








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ