প্রকাশ: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম (ভিজিট : ২)

গাজা উপত্যকার উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা, কামান থেকে গোলাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে দখলদার ইসরায়েল। আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) গাজার খান ইউনিস, দেইর আল-বালাহ মুশতাহা স্ট্রিট, শুজাইয়া মার্কেট ও বুরেইজ শরণার্থীশিবিরে হামলার খবর পাওয়া গেছে। গাজায় যখন হামলা চলছে তখন অধিকৃত পশ্চিম তীর সফর করেছেন ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি।
পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদে ইসরায়েলি সেটলারদের (বসতি স্থাপনকারী) হামলা ‘সন্ত্রাসী’ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রদূত হাকাবি । এর পাশাপাশি সহিংসতা বন্ধে হামলায় দায়ীদের ‘কঠোর পরিণতি’ নিশ্চিত করার জন্য তিনি ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) মধ্য পশ্চিম তীরের রামাল্লার উত্তরে তুরমুস আয়া সফর করেন হাকাবি। বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি-আমেরিকান বসবাসকারী তুরমুস আয়া সফরের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি বোঝার জন্যই’ তিনি সেখানে গেছেন।
সফরকালে হাকাবি বলেন, বসতি স্থাপনকারীদের কর্মকাণ্ডের কারণে ফিলিস্তিনিরা নিজেদের বাড়িতে বসবাস কিংবা নিরাপদে চলাফেরা করতে ভয় পাচ্ছেন। তার ভাষায়, অন্যদের আচরণ, হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করাকে যে কোনো সংজ্ঞাতেই ‘সন্ত্রাসবাদ’ বলা যায়।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই বার্তা দিয়ে যাবে যে এসব এলাকার মানুষের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার সঙ্গে বসবাসের অধিকার রয়েছে। ইসরায়েলি সরকারের দায়িত্ব হলো তা নিশ্চিত করা।
সাংবাদিকদের হাকাবি বলেন, ‘আমাদের স্পষ্ট বার্তা হলো-অপরাধ মানেই অপরাধ, সন্ত্রাস মানেই সন্ত্রাস। যারা এসব করবে, তাদের কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি থাকতে হবে।’
তবে, আক্ষেপে বিষয় হচ্ছে- হাকাবির সফরের ঠিক পরেই পশ্চিম তীরের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তুবাসের পূর্বদিকে অবস্থিত ইয়ারজা এলাকায় কয়েকজন ফিলিস্তিনি কৃষককে আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
ডেল্টা টাইমস/সিআর/এনজিটি