প্রকাশ: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫৬ পিএম (ভিজিট : ৫)

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সামগ্রিক পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। তবে ফলাফলের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো, দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের এককভাবে দায়ী না করে শিক্ষক, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা চিহ্নিত করে টেকসই সমাধান বের করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারি।
আজ সোমবার (১০ আগস্ট) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ উদ্বেগের কথা জানান।
আজহারি বলেন, ‘২০২৬ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় সামগ্রিক পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। এই সংকটের কারণ খুঁজে বের করা প্রয়োজন। ’
তিনি আরও বলেন,‘ কোথায় ঘাটতি রয়েছে, কোথায় আরও যত্ন ও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন, সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়া জরুরি। শুধু শিক্ষার্থীদের দায় না দিয়ে শিক্ষক, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাব্যবস্থার সামগ্রিক কাঠামো নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে হবে ।’ পাশাপাশি এ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য টেকসই সমাধান হাজির করারও আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে সোমবার সকালে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফলে দেখা যায়, এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। ফলে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন। অর্থাৎ এবারও পাসের সংখ্যায় ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে।
বোর্ডভিত্তিক ফলাফলেও পার্থক্য দেখা গেছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। রাজশাহী বোর্ডে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, যশোরে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, বরিশালে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
এ ছাড়া বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
ডেল্টা টাইমস/ আরএফ