প্রকাশ: রোববার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৫৪ পিএম (ভিজিট : ২)

ফাইল ছবি
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশের ওসি, পরিদর্শক (তদন্ত), এসআই ও এএসআইসহ একসঙ্গে ৭ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন বদলীর লিখিত এ আদেশ প্রদান করেন।
কটিয়াদী থানা থেকে ওসি মো. মাহবুবুর রহমানকে নিকলী থানায়, পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুল্লাহ খানকে কিশোরগঞ্জ সদর থানায়, উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মদ মাজেদুর রহমানকে করিমগঞ্জ থানায়, উপ-পরিদর্শক (এসআই) ছাইদুল ইসলামকে ইটনা থানায়, উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানাকে মিঠামইন থানায়, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শহিদুজ্জামানকে ইটনা থানায় ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোস্তাক হোসেনকে অষ্টগ্রাম থানায় বদলি করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মাহমুদুল ইসলাম তালুকদার জানান, কর্তব্য কাজে গতি বাড়ানোর লক্ষে কটিয়াদী মডেল থানায় যে সব অফিসার দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত ছিলেন তাদের অন্যত্র বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে তাদের বিরুদ্ধে মাদকবিরোধী অভিযানে ব্যর্থতা ও মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠে। কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিনের এ সংক্রান্ত সুপারিশ ও বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতার অভিযোগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
এছাড়া কটিয়াদী থানা পুলিশের কাছে মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের জন্য বারবার দাবি করেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় লোহাজুরী ইউনিয়নের শতাধিক বিক্ষুব্ধ ছাত্র ও যুবক পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এ সময় জনতা বাদল মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে ৪শত পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
ডেল্টা টাইমস্/আইইউ