থাইল্যান্ডে চিকিৎসায় বাংলাদেশিদের পাশে সুরা হেলথকেয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

লাইফস্টাইল

উন্নত চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের রোগীদের কাছে থাইল্যান্ড একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নিতে আগ্রহী বাংলাদেশি

2026-10-15T13:06:40+06:00
2026-10-15T13:06:40+06:00
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

থাইল্যান্ডে চিকিৎসায় বাংলাদেশিদের পাশে সুরা হেলথকেয়ার
নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৬ পিএম   (ভিজিট : ১৭)

উন্নত চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের রোগীদের কাছে থাইল্যান্ড একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নিতে আগ্রহী বাংলাদেশি রোগীদের জন্য দেশটিতে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ করতে কাজ করছে সুরা হেলথকেয়ার। বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠানটির সিইও মোহাম্মদ সোলায়মানের নেতৃত্বে হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ, চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, হাসপাতাল নির্বাচন, মেডিকেল ভিসা-সংক্রান্ত সহায়তা, যাতায়াত ও আবাসন ব্যবস্থাপনা এবং জরুরি প্রয়োজনে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সেবা সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, থাইল্যান্ডের ১৫টি পরিচিত হাসপাতালের তিন শতাধিক চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে তারা এগোচ্ছে। এর মাধ্যমে বিদেশি রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, চিকিৎসা পরিকল্পনা এবং সম্ভাব্য ব্যয়ের তথ্য পেতে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

সিইও মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি, উন্নত প্রযুক্তি ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সেবার কারণে থাইল্যান্ডের চিকিৎসাব্যবস্থা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত এবং আন্তর্জাতিক রোগীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে বিদেশে চিকিৎসা নিতে গেলে রোগী ও তাঁদের স্বজনদের হাসপাতাল নির্বাচন, চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ, ভিসা, ভাষাগত জটিলতা এবং যাতায়াতের মতো নানা বিষয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়। এসব বিষয় সমন্বয় করে রোগীদের পাশে থাকাই তাঁদের প্রতিষ্ঠানের অন্যতম লক্ষ্য।

সুরা হেলথকেয়ারের ইন্টারন্যাশনাল পেশেন্ট কো-অর্ডিনেটর তানভীর রহমান আকাশ বলেন, রোগীদের দ্রুততম সময়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে সহযোগিতা করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে রোগীর চিকিৎসাপরিকল্পনা সংগ্রহ করে তা রোগীকে জানানো হয়। চিকিৎসার প্রয়োজন ও হাসপাতালের প্রক্রিয়া অনুযায়ী পুরো কার্যক্রম সমন্বয়ের চেষ্টা করা হয়।

সোলায়মান আরও জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট নথি এবং ভিসা কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ওপর নির্ভর করে তিন থেকে চার কার্যদিবসের মধ্যে মেডিকেল ভিসা প্রক্রিয়াকরণে সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে ভিসা ইস্যু ও অনুমোদনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।

প্রতিষ্ঠানটির সেবার মধ্যে রয়েছে হাসপাতালের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, চিকিৎসার পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য ব্যয়ের হিসাব সংগ্রহ, অনলাইন চিকিৎসক পরামর্শের ব্যবস্থা, মেডিকেল ভিসার কাগজপত্র প্রস্তুতে সহায়তা, দোভাষী, বিমান টিকিট ও আবাসনের ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহে সহযোগিতা এবং রোগীর অবস্থা ও প্রয়োজন অনুযায়ী স্থলপথে অ্যাম্বুলেন্স বা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা। চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পরও ফলোআপসংক্রান্ত যোগাযোগে সহায়তা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশের পাশাপাশি নেপাল, ভুটানসহ অন্যান্য দেশের রোগীদের কাছেও এ ধরনের সমন্বিত সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী হাসপাতাল ও চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন এবং চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক ব্যবস্থাপনায় সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে সুরা হেলথকেয়ার।

ব্যাংককের প্রাণকেন্দ্র সুকুমভিত সোই-১১ এলাকায় অ্যাম্বাসেডর হোটেলসংলগ্ন স্থানে প্রতিষ্ঠানটির অফিস ও ফার্মেসি রয়েছে। সেখান থেকে চিকিৎসা ও মেডিকেল ট্যুরিজমসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা সমন্বয় করা হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য ও সহযোগিতা নিতে সেখানে আসছেন। প্রতিষ্ঠানটির কর্মী ও পরামর্শকেরা রোগীদের বিভিন্ন হাসপাতালের সেবা, চিকিৎসক নির্বাচন এবং অ্যাপয়েন্টমেন্টের বিষয়ে তথ্য ও সহযোগিতা দিচ্ছেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক হাসপাতাল নির্বাচন, চিকিৎসার সম্ভাব্য ব্যয় সম্পর্কে আগাম ধারণা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নথি প্রস্তুত এবং সেবাদাতার বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই চিকিৎসাসংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে রোগীদের হাসপাতালের অনুমোদন, চিকিৎসকের যোগ্যতা, চিকিৎসার খরচ, সেবার শর্ত এবং ভিসা প্রক্রিয়ার প্রকৃত অবস্থা যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।

যোগাযোগের নম্বর: +৬৬ ৯৬ ৭৮০ ৪৩৪৭ ও +৬৬ ৯৭ ০৩০ ৯৭৬২। বিস্তারিত তথ্যের জন্য ভিজিট করা যেতে পারে www.suhatrip.com ওয়েবসাইটে।


ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ