প্রকাশ: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২১ পিএম (ভিজিট : ০)

সংগৃহীত ছবি
গণতন্ত্র পুনর্গঠন, মানবাধিকার সুরক্ষা, অন্তর্ভুক্তিমূলক সংসদীয় ব্যবস্থা এবং শান্তিপূর্ণ সংলাপের মাধ্যমে মতপার্থক্য নিরসনে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ)।
সোমবার (৩১ আগস্ট) জাতীয় সংসদে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নারী ও তরুণ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আইপিইউর সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্ডা ফিলিপ এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সংসদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন মত ও পথের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংসদীয় ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। মতপার্থক্য থাকলেও তা শান্তিপূর্ণ সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এবং চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বক্তব্য দেন।
নারীদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের প্রসঙ্গ তুলে আইপিইউর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, নেতিবাচক সামাজিক রীতি, কুসংস্কার এবং অনলাইনে বিদ্বেষসহ নানা ধরনের বাধার মুখোমুখি হতে হয় নারীদের। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইপিইউ বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ ও পদ্ধতি তৈরি করেছে।
সংসদে নারী সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সংহতি ও সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বাংলাদেশের নারী সংসদ সদস্যদের আইপিইউর নারী ফোরাম, জাতিসংঘবিষয়ক স্থায়ী কমিটি এবং অন্যান্য কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
অ্যান্ডা ফিলিপ বলেন, সংসদ এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠান হওয়া উচিত, যেখানে বিভিন্ন জাতিগত, সামাজিক ও সম্প্রদায়ের মানুষের কণ্ঠস্বর যথাযথভাবে প্রতিফলিত হবে। দেশের সব শ্রেণি-পেশা ও সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।
গণঅভ্যুত্থানের সময় তরুণদের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি পুনর্মিলন ও জাতীয় ঐক্যও গুরুত্বপূর্ণ। বিভাজন কাটিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে সংলাপ ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।
এ প্রসঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার সংগ্রাম এবং তাঁর নেতৃত্বে দেশটিতে নতুন ‘রেইনবো নেশন’ গড়ে তোলার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন আইপিইউর সেক্রেটারি জেনারেল।
ডেল্টা টাইমস/আরএফ