মৃত্যুর পরও ফাঁসি বহাল, রায় থেকে সরে এলো হাইকোর্ট
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৪ পিএম (ভিজিট : ০)

ফাইল ছবি
২০১৩ সালে শেরপুরে আদিবাসী শিশু বিথী দিওয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় দুঃসম্পর্কের মামা কান্তি মারাককে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছিলেন হাইকোর্ট। কিন্তু পরে জানা যায় আসামি কারাগারে মারা গেছেন।
বিষয়টি আদালতের নজরে আনায় বুধবার (১২ আগস্ট) হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রত্যাহার করে মামলাটির সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
এ দিন ডেথ রেফারেন্স গ্রহণ করে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক।
গত ১ জুলাই বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও কে এম রাশেদুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর দুই দিন শুনানি শেষে বিচারিক আদালতে কান্তি মারাকের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রেখে রায় দিয়েছিলেন।
কান্তি মারাক নামের এই আসামি রায় ঘোষণার প্রায় পাঁচ বছর আগেই গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে মারা যান। তিনি ছিলেন মামলার একমাত্র আসামি।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে বিকেলে খেলতে গেলে বিথীকে কৌশলে ঘরে ডেকে নেন কান্তি মারাক।শিশুটিকে ধর্ষণের পর ব্যথার তীব্র কষ্টে আর্তচিৎকারের চেষ্টা করলে তার নাক-মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় ২০১৯ সালে শেরপুরের আদালত আসামি কান্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। পরে ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামি জেল আপিল করেন।
ডেল্টা টাইমস/ আরএফ