মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

আইন-আদালত

হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু ও গুম প্রতিরোধে জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা (ন্যাশনাল প্রিভেনটিভ মেকানিজম-এনপিএম) ইউনিট গঠনের বিধান রেখে ‘জাতীয় মানবাধিকার

2026-08-10T20:14:02+06:00
2026-08-10T20:14:02+06:00
সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু ও গুম ঠেকাতে এনপিএম ইউনিট
মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৪ পিএম   (ভিজিট : ৪)
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু ও গুম প্রতিরোধে জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা (ন্যাশনাল প্রিভেনটিভ মেকানিজম-এনপিএম) ইউনিট গঠনের বিধান রেখে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আজ সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ রাষ্ট্রের অন্যতম অঙ্গীকার। মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও নিশ্চিতকরণও রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণাসহ মানবাধিকারবিষয়ক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইন, সনদ ও চুক্তি পরিপালনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার রয়েছে।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি কার্যকর ও স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠন প্রয়োজন। এরই ধারাবাহিকতায় ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে কমিশন গঠন ও এর মেয়াদ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বিধান রাখা হয়েছে। একজন চেয়ারপার্সন ও চারজন কমিশনার নিয়ে কমিশন গঠিত হবে। কমিশনে অন্তত একজন নারী সদস্য রাখার বিধানও রয়েছে।

কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে বাছাই কমিটির সুপারিশে নৃ-গোষ্ঠী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর যোগ্য প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। বাছাই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, নাগরিক প্রতিনিধি এবং নৃ-গোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

নতুন আইনে কমিশনের কার্যপরিধি আরও স্পষ্ট করার পাশাপাশি অভিযোগ গ্রহণের প্রক্রিয়াও সহজ করার কথা বলা হয়েছে। অভিযোগের কার্যকর তদন্ত এবং তদন্তকালীন ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তদন্ত চলাকালে ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কিংবা সম্ভাব্য ক্ষতি প্রতিরোধে কমিশন প্রয়োজনীয় অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দিতে পারবে। এর ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর সুরক্ষায় কমিশনের তাৎক্ষণিক ভূমিকা পালনের সুযোগ তৈরি হবে।

এ ছাড়া জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী সনদের ঐচ্ছিক প্রটোকল (OPCAT) অনুযায়ী হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু বা গুম প্রতিরোধে জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা এনপিএম ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, প্রস্তাবিত আইনটি বাস্তবায়িত হলে মানবাধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কার্যক্রম আরও কার্যকর ও শক্তিশালী হবে।

ডেল্টা টাইমস/ আরএফ 








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ