প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৯ পিএম (ভিজিট : ০)

সংগৃহীত ছবি
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে উত্তরাঞ্চল থেকে বন্যা ও খরার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব কমে পুরো অঞ্চল সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
তিনি বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা উত্তরাঞ্চলের সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ কারণেই বর্তমান দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
মঙ্গলবার ( ১১ আগস্ট ) রাজধানীর বিআইএএম মিলনায়তনে আয়োজিত এক অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘অবকাঠামোগত দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধি’ বা ‘প্রভাতী’ প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর ‘স্থানীয় পর্যায়ে বন্যার আগাম সতর্কতা ও প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করে।
দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে ত্রাণমন্ত্রী বলেন,‘ ষড়ঋতুর বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। দেশের মানুষকে নিয়মিত নানা ধরনের দুর্যোগের মুখোমুখি হতে হয়। এসব দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও নিঃস্ব মানুষের পাশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সব সময় কাজ করে যাচ্ছে। ’
তিনি বলেন, ‘ দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বন্যাপ্রবণ গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও জামালপুর জেলার ১৯টি উপজেলায় বর্তমানে ‘প্রভাতী’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে মৌসুমি বন্যার আগাম পূর্বাভাস দেওয়ার ব্যবস্থা উন্নত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দ্রুত আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছে দিয়ে স্থানীয় জনগণকে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় সহায়তা করা হচ্ছে।’
মন্ত্রী বলেন,‘ সময়মতো আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়া গেলে বন্যার সময় মানুষের জানমাল, গবাদিপশু ও সম্পদ রক্ষার পাশাপাশি দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।’
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।
এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবিএম সফিকুল হায়দার, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেল্টা টাইমস/ আরএফ