প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৫ পিএম (ভিজিট : ১০)

সংগৃহীত ছবি
নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার দুই বছর না যেতেই গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র নদের প্রায় ১৪ কিলোমিটার নদীতীর রক্ষা বাঁধের শতাধিক স্থানে ধস দেখা দিয়েছে। কোথাও বড় বড় গর্ত, কোথাও মাটি দেবে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে গভীর খাদ। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ব্রহ্মপুত্রে পানি বাড়তে শুরু করায় বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ নিয়ে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন থেকে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও সড়ক রক্ষায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি থেকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর পর্যন্ত বাঁধটি নির্মাণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রায় ১৪ কিলোমিটার বাঁধটির নির্মাণকাজ শেষ হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাঁধ নির্মাণে প্রয়োজনীয় মাটির পরিবর্তে বিভিন্ন স্থানে নদী থেকে তোলা বালু ব্যবহার করা হয়েছে। পরে তার ওপর অল্প পরিমাণ মাটি দেওয়া হয়। ফলে বৃষ্টির পানিতে ওপরের মাটি সরে গিয়ে নিচের বালু ধসে পড়ছে। এতে বাঁধের বিভিন্ন স্থানে বড় গর্ত ও খাদ তৈরি হয়েছে।
বাঁধটি স্থানীয়রা সড়ক হিসেবেও ব্যবহার করেন। ফলে প্রতিদিন মোটরসাইকেল, ভ্যান, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। স্থানীয় বাসিন্দা রবিজল মিয়া বলেন, বাঁধের শতাধিক স্থানে ধস দেখা দিয়েছে। নির্মাণের সময় বালু ব্যবহারের কারণেই এমন পরিস্থিতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বাবুর বাজার এলাকার বাসিন্দা সফিকুল ইসলাম বলেন,‘ বাঁধের অবস্থা খারাপ হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকি নেই। এতে প্রতিদিনই দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।’
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলাম বলেন,‘ অতিবৃষ্টির কারণে বাঁধের বিভিন্ন স্থানে রেইন কাট হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। দ্রুত সেগুলো মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ’
ডেল্টা টাইমস/ আরএফ