বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অপেক্ষায় দিল্লি

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

জাতীয়

বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে স্বাগত জানানোর জন্য ভারত অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

2026-07-29T18:54:33+06:00
2026-07-29T19:48:23+06:00
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অপেক্ষায় দিল্লি
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৪ পিএম  আপডেট: ২৯.০৭.২০২৬ ৭:৪৮ পিএম  (ভিজিট : ৬)
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে স্বাগত জানানোর জন্য ভারত অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারের বিষয় বলে মনে করেন তিনি। তবে ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে স্বাগত জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। আশা প্রকাশ করেন, খুব শিগগিরই এই সফর বাস্তবায়িত হবে।

আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের প্রথম সাক্ষাৎ।

সাক্ষাৎ শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, আজকের বৈঠকটি অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে। এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে মনে করেন তিনি। খুব আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে, কারণ উভয় পক্ষের মূল লক্ষ্য ও অগ্রাধিকার একেবারেই অভিন্ন। ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক—এমনকি ক্রিকেটের মতো খেলাধুলার সূত্রেও—দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক অনেক গভীর। এসব বিষয় নিয়েই খোলামেলা আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, এখান থেকে অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ মনে ফিরে যাচ্ছেন তিনি। ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে, যাতে ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের মানুষই এর সুফল পেতে পারে।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশ শুধু সীমান্তই ভাগাভাগি করে না, বরং ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং ভবিষ্যতের স্বপ্নও অভিন্ন।

তিনি বলেন, আজকের বৈঠক খুব ভালো হয়েছে। এমন একটি সম্পর্কের প্রত্যাশা করেন তিনি, যার মূল ভিত্তি হবে উভয় দেশের মানুষের পারস্পরিক কল্যাণ। এটি কেবল শুরু; ভবিষ্যতে দুই দেশ আরও নিবিড়ভাবে কাজ করে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিস্তা-গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, আজকের সাক্ষাৎ মূলত সৌজন্যমূলক ছিল। তবে পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকলে সমাধান করা যায় না—এমন কোনো সমস্যা নেই। শেষ পর্যন্ত মূল বিষয় হলো সাধারণ মানুষের কল্যাণ; দুই দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের স্বার্থে যা ভালো, সেটিই করা হবে।

হাইকমিশনার আরও বলেন, পানি চুক্তির বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করছে এবং তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাবে। যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপগুলো সক্রিয়ভাবে কাজ করছে, এবং ভারত সফরে এসব বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আশাবাদী তিনি।








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ