‘১০–১২ সপ্তাহের মধ্যে প্রতিটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হবে’

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

সারাদেশ

সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, আগামী ১০ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে রংপুরসহ দেশের প্রতিটি

2026-07-04T17:39:24+06:00
2026-07-04T17:53:29+06:00
রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩

রংপুরে সমাজকল্যাণমন্ত্রী
‘১০–১২ সপ্তাহের মধ্যে প্রতিটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হবে’
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৯ পিএম  আপডেট: ০৪.০৭.২০২৬ ৫:৫৩ পিএম  (ভিজিট : ৩০)
সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, আগামী ১০ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে রংপুরসহ দেশের প্রতিটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। ধাপে ধাপে প্রতিটি পরিবার এ কার্ডের আওতায় আসবে।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে রংপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের মিলনায়তনে বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পেতে নির্ধারিত কিছু মানদণ্ড থাকবে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রথমে জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এরপর বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। সংগৃহীত তথ্য কম্পিউটারভিত্তিক যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে, কোন পরিবার এ সুবিধা পাবে।

দুর্নীতির বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। মন্ত্রণালয়ের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী দুর্নীতিতে জড়ালে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অতীতের দুর্নীতির অভিযোগগুলোও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো তদন্ত করছে।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬ শতাংশ প্রতিবন্ধী। দেশে বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ নিবন্ধিত প্রতিবন্ধী রয়েছেন। তাদের সহায়তা ও দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে সারা দেশে ৪৫টি মোবাইল থেরাপি ইউনিট কাজ করছে। ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কর্মমুখী প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। সেলাই, কম্পিউটার, হাঁস-মুরগি পালন, প্লাম্বিং ও মোবাইল ফোন মেরামতসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ শেষে উপকারভোগীদের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের বিনাসুদে ঋণও দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় যুক্ত করতে সমাজসেবা অধিদফতর, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, মহিলা সংস্থা এবং প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

এ সময় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব, জেলা বিএনপির সদস্য লিটন পারভেজ, সাবেক সভাপতি এমদাদুল হক ভরসাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ