বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলা চর মালিয়া গ্রামের নিখোঁজের তিনদিন পর হারুন হাওলাদার নামে নিজ ঘরের পাশ থেকে লাশ উদ্ধার। ঘটনা সূত্রে জানা যায় গত ২৬ জুন ২০২৬ইং শুক্রবার গভীর রাতে ৩-৪ জন লোক হারুন হাওলাদারকে তার বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
অপহরনের চারদিনেও কোনো খোঁজ মিলছিলো না হারুন হাওলাদারের। পুলিশ তার পরিবারের লোকজনকে সন্দেহ করে গোপনে নরজদারি চালিয়ে সংবাদ পায় হারুন হালদারকে হত্যা করে তার বাড়ির পাশেই পুতে রাখা হয়েছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে তার বাড়ির আশপাশ খোজাঁখুজি করে ঘরের নিকট থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে নিয়ে যায়। এলাকাবাসীর ধারনা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে হারুনের স্ত্রী সেলিনা (৪০) জড়িত থাকতে পারে। পুলিশের সন্দেহ পরকীয়ার জেরে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে সেলিনা। সন্দেহ ভাজন হিসেবে পুলিশ ইতিমধ্যে সেলিনাকে হেফাজতে নিয়েছে।
এলাকাবাসীর ধারণা, হারুন হাওলাদার হত্যায় সেলিমার সাথে জড়িত ছিলেন, মাজেদ হাওলাদারের ছেলে মাসুম, ভাষাইর ছেলে রুহুল আমিন, গাল কাটা খালেকের ছেলে ফালান, খলিল শিকদারের ছেলে এবাদুল, সামসু শিকদারের ছেলে মুক্তার।
হারুন হাওলাদার খুনের মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মাহবুব হোসেন বলেন, হারুন হাওলাদাকে হত্যার ঘটনায় যারা জড়িত তারা কেউই আইনের হাত থেকে রেহাই পাবে না। দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার অশ্বাস দেন এসআই মাহবুব হোসেন।