পথশিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ

মোঃ রফিকুল ইসলাম

মতামত

প্রতিটি শিশুরই থাকে নিজের মতো করে গড়ে ওঠার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন ঘিরে থাকে বাবা-মায়েরও কত আশা—একদিন সন্তান বড়ো

2026-10-27T16:35:12+06:00
2026-10-27T16:35:12+06:00
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

পথশিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ
মোঃ রফিকুল ইসলাম
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৫ পিএম   (ভিজিট : ১১)

প্রতিটি শিশুরই থাকে নিজের মতো করে গড়ে ওঠার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন ঘিরে থাকে বাবা-মায়েরও কত আশা—একদিন সন্তান বড়ো হবে, নিজের পায়ে দাঁড়াবে, জীবনে প্রতিষ্ঠিত হবে। রহিমও স্বপ্ন দেখত, বড়ো হয়ে ডাক্তার হবে। কিন্তু পাঁচ বছর বয়সেই বাবাকে হারিয়ে তার জীবনে নেমে আসে অনিশ্চয়তা। মাকে সঙ্গে নিয়ে দুই ভাইবোনের ঠাঁই হয় রাজধানীর ফুটপাতে। দিন কাটে ক্ষুধা, ভয় আর নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে। যে বয়সে তার স্কুলে যাওয়ার কথা, খেলাধুলায় মেতে থাকার কথা, সে বয়সেই তাকে ভাবতে হয় বেঁচে থাকার কথা।

একদিন এক হৃদয়বান মানুষ রহিমকে দেখে মায়া অনুভব করেন। তার মনে হয়, এই শিশুটিরও সুন্দর ভবিষ্যৎ পাওয়ার অধিকার আছে। তিনি ১০৯৮ নম্বরে ফোন করেন। খবর পেয়ে হেল্পলাইনের কর্মীরা রহিমকে উদ্ধার করেন। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় সরকারি শিশু পরিবারে। সে পায় নিরাপদ আশ্রয়। পায় নিয়মিত খাবার ও পড়াশোনার সুযোগ। এভাবেই শুরু হয় রহিমের দিন বদলের গল্প।

শিশুদের অধিকার, নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং একটি সুন্দর ও মানবিক পরিবেশ—এই পাঁচটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে একটি জাতির ভবিষ্যৎ। বাংলাদেশে আজকের শিশুরাই আগামীর নাগরিক, নেতা, বিজ্ঞানী, কৃষক ও শিল্পী। তাই তাদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করা শুধু নৈতিক দায়িত্ব নয়, জাতীয় উন্নয়নের সবচেয়ে বড়ো বিনিয়োগও। বর্তমান সরকার এই বিনিয়োগকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ (UNCRC) ১৯৮৯ সালে গৃহীত হয়। এর এক বছর পরই বাংলাদেশ এতে স্বাক্ষর করে। বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদেও শিশুদের জন্য বিশেষ সুরক্ষার বিধান রয়েছে। শিশু আইন ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৮) শিশুদের সর্বোত্তম স্বার্থ, সুরক্ষা, অংশগ্রহণ ও বিকাশের অধিকার নিশ্চিত করেছে। এই আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সি সবাই শিশু। জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের মূল নীতিগুলো—জীবন ও বিকাশের অধিকার, সুরক্ষার অধিকার, অংশগ্রহণের অধিকার এবং বৈষম্যহীনতার অধিকার—আমাদের শিশু আইন ২০১৩ এবং জাতীয় শিশু নীতি ২০১১-এর ভিত্তি। শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থকে সব সিদ্ধান্তে প্রাধান্য দেওয়াই এই আইনি কাঠামোর মূল কথা। বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই নীতিগুলোকে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছে। শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, “প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত শৈশব, নৈতিক ও বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষা, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, পর্যাপ্ত পুষ্টি এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের সুদৃঢ় অঙ্গীকার।”নিরাপত্তা শিশুর অন্যতম মৌলিক অধিকার।

বাংলাদেশ মাল্টিপল ইনডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (MICS) ২০২৫ অনুযায়ী, পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ৩৩। শিশুশ্রমে নিয়োজিত ৫-১৭ বছর বয়সি শিশুর হার ৯.২ শতাংশ (আগের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে)। বাড়ি বা স্কুলে সহিংসতার শিকার প্রায় ৮৬ শতাংশ শিশু। নগর এলাকায় সীসা দূষণে আক্রান্ত শিশুর হার কোথাও ৬০ শতাংশ পর্যন্ত। শারীরিক, মানসিক, যৌন নির্যাতন, শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ, পাচার এবং সাইবার ঝুঁকি—এসব থেকে শিশুদের রক্ষা করতে সরকার বহুমাত্রিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত চাইল্ড হেল্পলাইন ‘১০৯৮’ এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেবা। জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত এই হেল্পলাইনের মাধ্যমে প্রায় ২১ লাখেরও বেশি মানুষকে সেবা দেওয়া হয়েছে। শিশু নির্যাতন, উদ্ধার, পাচার রোধ, বাল্যবিবাহ বন্ধ এবং জরুরি সহায়তা সকল প্রয়োজনীয় সেবা এই নম্বরে পাওয়া যায়। ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা এই সেবা শিশু ও তাদের পরিবারকে সরাসরি সরকারি সুরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করেছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারি শিশু পরিবারগুলো যেনো পিতৃমাতৃহীন বা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে।

দেশজুড়ে ৮৫টি সরকারি শিশু পরিবারে অনুমোদিত আসন রয়েছে ১০ হাজার ৩০০টি। এখানে শুধু খাদ্য ও বাসস্থান নয়, পারিবারিক পরিবেশে স্নেহ-ভালবাসা, আনুষ্ঠানিক শিক্ষা, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ এবং মানসিক বিকাশের ব্যবস্থা করা হয়। ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে এতিম শিশুর পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরও ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চতর স্তরে মেধাবৃত্তি প্রদান করা হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শুধু মেধাবৃত্তিতেই এক কোটিরও বেশি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের জন্য ‘সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র’ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। আগস্ট ২০১২ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত ১৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ শিশুকে সেবা দেওয়া হয়েছে। এখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, মনো-সামাজিক কাউন্সেলিং, আনুষ্ঠানিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ একসঙ্গে পাওয়া যায়। চাইল্ড সেনসিটিভ সোস্যাল প্রটেকশন ইন বাংলাদেশ (সিএসপিবি) প্রকল্প শিশু আইন ২০১৩ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সহিংসতা, নির্যাতন ও অবহেলা কমাতে কাজ করছে। প্রকল্পটি ২৬ জেলার ৫২ উপজেলা এবং ১১টি সিটি করপোরেশন এলাকায় চলমান। কমিউনিটিভিত্তিক শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থাপনা (সিবিসিপিসি) সক্রিয় করা এবং কেস ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শনাক্তকরণ এর অন্যতম লক্ষ্য।

শিক্ষা শিশুর মৌলিক অধিকার এবং জীবন পরিবর্তনের চাবিকাঠি। সরকারি শিশু পরিবার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোতে শিশুদের মূলধারার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানো হয়। প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রাথমিক থেকে উচ্চতর স্তর পর্যন্ত মাসিক উপবৃত্তি দেওয়া হয়। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য সমন্বিত শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে, যেখানে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রিসোর্স শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে সাধারণ স্কুলে ব্রেইল পদ্ধতিতে পড়াশোনা করা যায়। পথশিশু ও ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের জন্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রায় ৪২০ কোটি টাকার একটি বড়ো প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১৯০০ পথশিশুর নিরাপদ আবাসন এবং ৪৫০০ শিশুকে আনুষ্ঠানিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার আওতায় আনা হবে।

স্বাস্থ্য ও পুষ্টি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ভিত্তি। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০২৫ ও ২০২৬ সালে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে শিশুর প্রাথমিক চিকিৎসা ও সাধারণ স্বাস্থ্য পরিচর্যা, মানসিক বিকাশ ও মানসিক স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি, শারীরিক বৃদ্ধি ও বিকাশ, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং দিবাযত্ন কেন্দ্রে শিশুর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ নির্দেশিকা। এই নির্দেশিকাগুলো দিবাযত্ন কেন্দ্র ও শিশু পরিবারগুলোতে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করছে। ‘ইন্টিগ্রেটেড কমিউনিটি-বেইজড সেন্টার ফর চাইল্ড কেয়ার, প্রটেকশন অ্যান্ড সুইম-সেফ ফ্যাসিলিটিজ (আইসিবিসি)’ প্রকল্প পানিতে ডুবে মৃত্যু রোধের পাশাপাশি প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ, খেলাভিত্তিক শিক্ষা এবং অভিভাবক সচেতনতা বাড়াচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ১৬ জেলার ৪৫ উপজেলায় ৮ হাজারেরও বেশি সমাজভিত্তিক কেন্দ্রে আড়াই লাখের বেশি শিশু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

একটি সুন্দর ও মানবিক পরিবেশ তৈরি করতে শুধু আইন ও প্রকল্প যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন সামাজিক মানসিকতার পরিবর্তন। এ লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বিলবোর্ড, পথনাটক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং স্কুলভিত্তিক প্রচারণার মাধ্যমে শিশু অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। শিশুদের মতামত ও অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিয়ে ‘শিশু অধিকার সপ্তাহ’ উদ্‌যাপন করা হয়। সম্প্রতি দুই শতাধিক শিশু ৬ দফা ইশতেহার দিয়ে মানসম্মত শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সাইবার নিরাপত্তা, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং বাল্যবিবাহ-শিশুশ্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছে। সরকার এই কণ্ঠস্বরকে গুরুত্ব দিচ্ছে। বর্তমান সরকারের ভূমিকা বহুমুখী। একদিকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণ, অন্যদিকে প্রাতিষ্ঠানিক যত্ন ও কমিউনিটিভিত্তিক সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ। প্রতিবন্ধী ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি, এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য আবাসন, হেল্পলাইন, কেস ম্যানেজমেন্ট এবং নতুন নীতিমালা—সব মিলিয়ে একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে উঠছে।

তবু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। শিশু নির্যাতনের ঘটনা এখনো ঘটছে। বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম এবং সাইবার ঝুঁকি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। দিবাযত্ন কেন্দ্রের সংখ্যা ও মান নিয়েও সমালোচনা হচ্ছে।  প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ (ইসিডি) কার্যক্রমকে প্রকল্পভিত্তিক না রেখে স্থায়ী বাজেট কাঠামোয় আনার কথা হচ্ছে। শিশু অধিকার কমিশন গঠনের দাবিও উঠেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার, পরিবার, সমাজ এবং বেসরকারি সংস্থার সম্মিলিত প্রয়াস অপরিহার্য। শিশুদের জন্য একটি সুন্দর ও মানবিক পরিবেশ মানে শুধু নিরাপদ ঘর নয়। অর্থাৎ, এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে শিশুরা নির্ভয়ে খেলবে, কৌতূহল নিয়ে প্রশ্ন করবে, স্বপ্ন দেখবে এবং নির্দ্বিধায় নিজেদের মতামত প্রকাশ করবে। প্রতিবন্ধী শিশুরাও পাবে সমান সুযোগ ও অধিকার। কোনো শিশুকে বেঁচে থাকার তাগিদে পথে থাকতে হবে না। প্রতিটি শিশু অনুভব করবে—তার নিরাপত্তা, অধিকার ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র তার পাশে রয়েছে।

বর্তমান সরকারের গৃহীত কর্মসূচিগুলো প্রতিটি শিশুর জন্য এমন একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সরকারি শিশু পরিবার, পুনর্বাসন কেন্দ্র, হেল্পলাইন ১০৯৮, শিক্ষা উপবৃত্তি এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দিবাযত্ন নির্দেশিকা, পথশিশু প্রকল্প ও প্রারম্ভিক বিকাশ কেন্দ্র—সব মিলে একটি শক্তিশালী সুরক্ষা জাল তৈরি হচ্ছে। এই জাল যত মজবুত হবে, ততই শক্তিশালী হবে আগামীর বাংলাদেশ। শিশুরা আমাদের আজকের দায়িত্ব, আগামীর সম্পদ। তাদের অধিকার, নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা মানেই একটি ন্যায়ভিত্তিক, সমৃদ্ধ ও মানবিক জাতি গড়ে তোলা। বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচিগুলো সেই পথেই যাত্রা করছে। এখন প্রয়োজন সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ—পরিবার থেকে শুরু করে প্রতিবেশী, শিক্ষক থেকে শুরু করে নীতিনির্ধারক—সবাইকে শিশুদের পাশে দাঁড়াতে হবে। কারণ, শিশুর হাসি যখন সুরক্ষিত থাকে, তখনই জাতির ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হয়। 



লেখক: জনসংযোগ কর্মকর্তা, (সিনিয়র তথ্য অফিসার) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।


ডেল্টা টাইমস/মো: রফিকুল ইসলাম/সিআর










  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ