বিজেএসে ইবির সাফল্য, ১৯ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

শিক্ষা

১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) কমিশন পরীক্ষায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থেকে সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৯ জনকে সংবর্ধনা

2026-10-25T17:23:40+06:00
2026-10-25T17:23:40+06:00
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

বিজেএসে ইবির সাফল্য, ১৯ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা
প্রকাশ: রোববার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৩ পিএম   (ভিজিট : ২১)

১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) কমিশন পরীক্ষায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থেকে সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৯ জনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় আইন অনুষদের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নাজিমুদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। এ ছাড়া আইন অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সুপারিশপ্রাপ্তরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় ইবি থেকে মোট ১৯ জন শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আইন বিভাগ থেকে ১৪ জন, ল' অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগ থেকে চারজন এবং আল ফিকহ অ্যান্ড ল' বিভাগ থেকে একজন রয়েছেন।

সংবর্ধনাপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বলেন, স্বপ্নের ক্যারিয়ার গড়তে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য, পরিকল্পনা, রুটিন অনুযায়ী কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায় প্রয়োজন। একাধিকবার তালিকায় নাম না এলে নিজেকে ব্যর্থ মনে না করে স্বপ্ন ও বাস্তবতার মধ্যকার ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করে তা পূরণের মাধ্যমে পরবর্তী প্রস্তুতি নিতে হবে। মোবাইল ফোন কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সময় ব্যয় না করে কার্যকর পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে। স্বপ্ন পূরণে ভালো বন্ধু নির্বাচনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে সমমনা, সমউদ্দেশ্য ও একই লক্ষ্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার পরামর্শ দেন তাঁরা। প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতা জয় করে লক্ষ্যের প্রতি অবিচল থেকে সফলতার পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্তদের সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে এ দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে বিশ্বাস করতে হবে। তাঁদের এ অর্জনের পেছনে শিক্ষকদেরও অপরিসীম অবদান রয়েছে। বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় মহান সৃষ্টিকর্তাকে সর্বোচ্চ বিচারক হিসেবে স্মরণ রাখতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের কথা স্মরণ রেখে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে। ক্যারিয়ার গঠনের পাশাপাশি আলোকিত ও ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। দায়িত্ব পালনে আইন সম্পর্কে জ্ঞানের পাশাপাশি মানবিকতা ও বিবেক দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ও নিজ বিভাগকে সবসময় মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত রাখতে হবে।








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ