লোহিত সাগরে হুতিদের তৎপরতায় বাড়ছে ঝুঁকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক

ইয়েমেনে সৌদি আরব ও ইরান-সমর্থিত হুতিদের মধ্যে গত কয়েক দিনে সংঘাত আরো তীব্র হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বৈশ্বিক জ্বালানি

2026-09-10T20:12:35+06:00
2026-09-10T20:12:35+06:00
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

লোহিত সাগরে হুতিদের তৎপরতায় বাড়ছে ঝুঁকি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১২ পিএম   (ভিজিট : ০)
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

ইয়েমেনে সৌদি আরব ও ইরান-সমর্থিত হুতিদের মধ্যে গত কয়েক দিনে সংঘাত আরো তীব্র হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের ওপর নতুন করে তৈরি হয়েছে ঝুঁকি।

ইয়েমেনের কয়েকটি সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, হুতিরা লোহিত সাগর উপকূলের শহর মোকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। একই সঙ্গে কৌশলগত হানিশ দ্বীপপুঞ্জে হামলা চালাচ্ছে তারা।

অন্যদিকে ইয়েমেন সরকারের বাহিনী ও তাদের মিত্ররা লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছাকাছি দক্ষিণে ধুবাব এলাকায় সরে যাচ্ছে। প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ নিতে ধুবাব ও এর বিপরীতে অবস্থিত পেরিম দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ বলেও সূত্রগুলো জানিয়েছে।

‘গেট অব টিয়ার্স’ নামে পরিচিত বাব আল-মান্দেব প্রণালি ইয়েমেনের পাশাপাশি আফ্রিকার জিবুতি ও ইরিত্রিয়ার মাঝখানে অবস্থিত। এটি উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সুয়েজ খাল হয়ে ভূমধ্যসাগরে অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। এ পথে এশিয়াগামী বিভিন্ন পণ্য, এমনকি রুশ তেলও পরিবহন করা হয়।

ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর বাব আল-মান্দেবও বন্ধ হয়ে গেলে সৌদি আরবের মতো উপসাগরীয় তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো তাদের প্রধান সমুদ্রপথ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।

চলতি সপ্তাহে হুতিদের হামলায় সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের চারটি শহরে অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন। হুতিরা দাবি করেছে, তারা খামিস মুশাইত শহরের একটি বিমানঘাঁটি ও আশপাশের শহরের তেল স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর সৌদি আরবে এটি অন্যতম বড় হামলা বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।

এদিকে খামিস মুশাইতে নতুন করে জরুরি সতর্কতা জারির পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ।








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ