প্রকাশ: রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৭ এএম (ভিজিট : ৬)

গ্র্যান্ড উইনার মুহাম্মদ আমদাদ হোসেন, পেলেন ১ লাখ টাকা ও রেনো১৫ এফ
বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, প্রকৃতি, মানুষের জীবনযাপন ও নগরীর বৈচিত্র্যকে ক্যামেরার ফ্রেমে তুলে ধরতে আয়োজিত ‘পাঠশালার সাথে অপো রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্ট’-এর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে অপো।
প্রতিযোগিতায় বিচারক প্যানেলের মূল্যায়নে মুহাম্মদ আমদাদ হোসেন গ্র্যান্ড উইনার নির্বাচিত হয়েছেন। পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ টাকা নগদ, একটি অপো রেনো১৫ এফ এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স।
বিচারকদের মতে, আমদাদ হোসেনের ছবি সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি, ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং এবং একটি অসাধারণ মুহূর্তকে ক্যামেরাবন্দি করার সক্ষমতার কারণে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।
প্রতিযোগিতায় এলিট উইনার হয়েছেন মো. এনামুল কবির। তিনি পেয়েছেন ৫০ হাজার টাকা নগদ, একটি অপো এ৬এস প্রো এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। মাস্টার উইনার সৌম্যেন রেজাউল পেয়েছেন ৩০ হাজার টাকা নগদ, একটি অপো এ৬এস প্রো এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স।
এছাড়া পাঁচটি ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদেরও পুরস্কৃত করা হয়েছে। হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার ক্যাটাগরিতে মো. রকিবুল হাসান, লো লাইট ক্যাটাগরিতে আশরাফুল সরকার কিবরিয়া, নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ ক্যাটাগরিতে সালাহউদ্দিন আহমেদ, পোর্ট্রেট ক্যাটাগরিতে মো. হারুনর রশিদ এবং স্ট্রিট অ্যান্ড আর্কিটেকচার ক্যাটাগরিতে সিরাজাম মনির বিজয়ী হয়েছেন।
প্রতিটি ক্যাটাগরির বিজয়ী পেয়েছেন ২০ হাজার টাকা নগদ, একটি অপো এ৬ এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। পাশাপাশি আতিকুর রহমান অনারেবল মেনশন পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার টাকা নগদ ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স।
ক্যাম্পেইনটি বাংলাদেশের বহুমাত্রিক সৌন্দর্যকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরেছে। দেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি, গ্রামীণ জীবনে ফসল ঘরে তোলার আনন্দ, কম আলোয় প্রকৃতির সৌন্দর্য, জীববৈচিত্র্য, মানুষের আবেগ, রাস্তায় ঘটে যাওয়া অপ্রত্যাশিত মুহূর্ত এবং স্থাপত্যের নান্দনিকতা—সবই উঠে এসেছে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ছবিতে।
অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, “বাংলাদেশ গল্প, অনুভূতি, ঐতিহ্য ও অসাধারণ সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ একটি দেশ। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশি ফটোগ্রাফারদের চোখ দিয়ে এই মুহূর্তগুলো দেখতে চেয়েছিলাম।”
তিনি বলেন, “ফসল ঘরে তোলার আনন্দ ও বাংলাদেশের ঐতিহ্য-সংস্কৃতির সমৃদ্ধি থেকে শুরু করে প্রকৃতি ও ওয়াইল্ডলাইফ, মানুষের মনের গভীর আবেগ, রাস্তার অপ্রত্যাশিত মুহূর্ত ও আমাদের চারপাশের অবাক করা স্থাপত্য—প্রতিটি ছবি বাংলাদেশের অনন্য গল্প তুলে ধরে। অংশগ্রহণকারীদের সৃজনশীলতা ও অনুভূতি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।”
ডেমন ইয়াং আরও বলেন, “অপোতে আমরা বিশ্বাস করি, প্রযুক্তি মানুষকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করতে এবং অর্থবহ মুহূর্তগুলো ধারণ করতে সক্ষম করে তুলবে। পাঠশালার সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্ব ফটোগ্রাফারদের দৃষ্টিভঙ্গি নিপুণভাবে তুলে ধরবে এবং অন্যদেরও প্রতিদিনের জীবনের অসাধারণ সৌন্দর্য ধারণে অনুপ্রাণিত করবে।”
আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ফটোগ্রাফিপ্রেমীদের সৃজনশীলতা প্রকাশের পাশাপাশি স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির সম্ভাবনাকেও তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ, প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও দৈনন্দিন জীবনের অসংখ্য মুহূর্তকে একত্র করে প্রতিযোগিতাটি তৈরি করেছে দেশের বৈচিত্র্যময় এক ভিজ্যুয়াল গল্প।
অপোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাঠশালার সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব সৃজনশীল মানুষদের অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি ফটোগ্রাফি অনুরাগীদের জন্য নতুন সুযোগ ও প্ল্যাটফর্ম তৈরির ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ। প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে বাংলাদেশের সৌন্দর্যকে ক্যামেরার একেকটি ফ্রেমে ধারণ করে গল্প বলার এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই