বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচেও কি ফিরল স্নিকোমিটার বিতর্ক?

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

খেলাধুলা

সর্বশেষ গ্রীষ্মে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক অ্যাশেজ সিরিজে ‘স্নিকো’ প্রযুক্তির ভুল অডিও প্রসেসিং ও সমন্বয় (সিনক্রোনাইজেশন) নিয়ে বড়

2026-08-13T11:21:28+06:00
2026-08-13T11:21:28+06:00
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচেও কি ফিরল স্নিকোমিটার বিতর্ক?
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২১ এএম   (ভিজিট : ৫)

সর্বশেষ গ্রীষ্মে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক অ্যাশেজ সিরিজে ‘স্নিকো’ প্রযুক্তির ভুল অডিও প্রসেসিং ও সমন্বয় (সিনক্রোনাইজেশন) নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। মাইক্রোফোনের অডিও ব্যবহারে ত্রুটির কারণে ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হন ব্যাটাররা, যা নিয়ে দুই দলের খেলোয়াড় ও ক্রিকেট মহলে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়। বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার চলমান ডারউইন টেস্টেও তেমনই সংশয় তৈরি হয়েছে।

২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে নেমে দাপট দেখাচ্ছেন সফরকারী বাংলাদেশের পেসাররা। স্টিভেন স্মিথ বাদে বাকিরা সেভাবে দাঁড়াতে পারছেন না। অভিজ্ঞ এই তারকার একটি আউটের আবেদনে স্নিকো মিটারের সিদ্ধান্ত আলোচনায় এসেছে। ব্যক্তিগত ৭ রানের মাথায় এবাদত হোসেনের একটি বলে স্মিথের ব্যাট ঘেঁষে লিটন দাসের হাতে জমা হতেই পুরো বাংলাদেশ দল জোরালো আবেদন জানায় যেন আউট হওয়াটা নিশ্চিত। কিন্তু আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা তাতে টলেননি। 

যার বিপরীতে বাংলাদেশ দল রিভিউ নেয় এবং স্মিথ প্যাভিলিয়নের দিকে কিছুটা এগিয়েও যান। দেখে মনে হচ্ছিল তিনি নিশ্চিত যে বলটি তার ব্যাটে লেগেছিল, কিন্তু ‘স্নিকো’ প্রযুক্তিতে কোনো স্পাইক বা সংকেত না আসায় তিনি আবার ক্রিজে ফিরে আসেন। আরও একবার ভাগ্যের সহায়তায় নটআউট স্মিথ। বাংলাদেশি খেলোয়াড়রা বুঝতে পেরেছিলেন যে বেশ দুর্ভাগ্যের শিকার!

স্মিথের দিকে তাকিয়ে হাসিমুখে কেউ কেউ যেন জানতে চাচ্ছিলেন যে বলটি আসলে ব্যাটে লেগেছিল কি না। অ্যাশেজ সিরিজের সময় ডিআরএসের অডিও প্রযুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আজ আবারও সেই একই প্রযুক্তি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসবে বলে ধারণা করেছেন অস্ট্রেলিয়ান ধারাভাষ্যকাররা।

এর আগে সর্বশেষ অ্যাশেজে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত তৃতীয় টেস্টে স্নিকো মিটার প্রযুক্তির ভুল অডিও নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ভুল মাইক্রোফোনের অডিও ব্যবহারের ফলে ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হন ব্যাটাররা, যা নিয়ে দুই দলের খেলোয়াড় ও ক্রিকেট মহলে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়। স্নিকোমিটার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানও পরবর্তীতে স্বীকার করে যে অপারেটর ভুল করে বোলারের প্রান্তের স্টাম্পের মাইক্রোফোন থেকে অডিও নিয়েছিলেন। ভুল অডিও সোর্সের কারণে শব্দ এবং ভিডিওর ফ্রেমের মধ্যে মারাত্মক বিলম্ব ও গরমিল দেখা দেয়।

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটার অ্যালেক্স ক্যারি ৭২ রান করার সময় বল ব্যাটে লাগলেও স্নিকো মিটারের ত্রুটির কারণে তিনি নট-আউট হন। অথচ পরে ক্যারি নিজেই স্বীকার করেন যে তিনি বলের স্পর্শ বা আওয়াজ পেয়েছিলেন। এই ভুলের জন্য ইংল্যান্ড দল ম্যাচ রেফারির কাছে অভিযোগ জানায়। পরদিন ইংল্যান্ডের উইকেটরক্ষক জ্যামি স্মিথের আউটের সময়ও স্নিকো মিটারের স্পাইক ও ছবির মিল না থাকায় অস্ট্রেলিয়ান বোলার মিচেল স্টার্ক এই প্রযুক্তি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং একে বাজে প্রযুক্তি বলে মন্তব্য করেন। 


ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ