প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৫ পিএম (ভিজিট : ৮)

সংগৃহীত ছবি
ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তুরস্ক থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরানোর সময় নেওয়া হয়েছিল নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা। প্রকাশ্যে এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠলেও কিছুক্ষণ পর গোপনে তাকে অন্য একটি সামরিক বিমানে সরিয়ে নেওয়া হয়। ট্রাম্পের নিরাপত্তার স্বার্থে পুরো প্রক্রিয়াটি রাখা হয়েছিল কঠোর গোপনীয়তায়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলন শেষে দেশে ফেরার সময় ট্রাম্পকে প্রথমে সবার চোখের সামনে এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠতে দেখা যায়। এতে উপস্থিত সাংবাদিক ও কর্মকর্তারা ধরে নেন, প্রেসিডেন্ট ওই বিমানেই ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
কিন্তু বিমানে ওঠার কিছুক্ষণ পরই শুরু হয় গোপন নিরাপত্তা অভিযান। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিমানের পেছনের দরজা দিয়ে ট্রাম্পকে বের করে একটি ক্যাটারিং ট্রাকে তোলা হয়। পরে ওই ট্রাকের মাধ্যমে তাকে একটি ছোট ও গোপন সামরিক বিমানে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে ট্রাম্প যে এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠেছিলেন, সেটিকে কার্যত ‘ডেকয়’ বা বিভ্রান্তিমূলক বিমান হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সাংবাদিকদের পাশাপাশি অনেক কর্মকর্তাও জানতেন না যে প্রেসিডেন্ট ওই বিমান থেকে নেমে অন্য একটি বিমানে চলে গেছেন।
নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সাংবাদিকদেরও বিমানের জানালার পর্দা নামিয়ে রাখতে বলা হয়েছিল। ফলে ট্রাম্প কখন, কীভাবে এবং কোন বিমানে করে যাত্রা করেছেন, তা বাইরে থেকে বোঝার সুযোগ ছিল না।
পরে গোপন সামরিক বিমানটি প্রথমে যুক্তরাজ্যের একটি সামরিক ঘাঁটিতে অবতরণ করে। সেখান থেকে নিরাপদে ট্রাম্পকে ওয়াশিংটনে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রাণনাশের সুনির্দিষ্ট হুমকি পাওয়ার পরই তার নিরাপত্তায় এমন অস্বাভাবিক ও নজিরবিহীন ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রেসিডেন্টকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতেই পুরো অভিযানে গোপনীয়তা ও বিভ্রান্তিমূলক কৌশল ব্যবহার করা হয়েছিল।
ডেল্টা টাইমস/ আরএফ