
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা আগামী ৫ আগস্ট প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে পারেন— এমন বিষয় নিয়ে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বা তার সহযোগীদের যেকোনো কর্মকাণ্ড দুই দেশের বিদ্যমান ইতিবাচক সম্পর্কের অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ।
আলোচনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া শেখ হাসিনার সম্ভাব্য ৫ আগস্টের বক্তব্যের বিষয়টিও উঠে আসে।
হুমায়ুন কবির হাইকমিশনারকে জানান, পলাতক শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের ব্যক্তি যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন কিংবা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারেন— সে বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিকে ব্যাহত করতে পারে।
জবাবে ভারতের হাইকমিশনার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া এবং এ বিষয়ে সচেষ্ট থাকার আশ্বাস দেন।