প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১১ পিএম (ভিজিট : ১১৫)

ফাইল ছবি
চৈত্র পেরিয়ে বৈশাখ আসার আগেই আগাম তাপদাহে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা। জেলাজুড়ে বইছে মাঝারি তাপপ্রবাহ। ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে অস্বস্তি আর ক্লান্তি। একইসঙ্গে প্রখর রোদ আর এই ভ্যাপসা গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর, শ্রমিক ও রিকশাচালকরা।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক জাহিদুল হক জানান, একদিনের ব্যবধানে চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে ২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ ৩৪ শতাংশ। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তিনি আরও বলেন, মাঝারি তাপ প্রবাহের কারণে জনজীবনে গরম অনুভূত হচ্ছে। তাপমাত্রা প্রতিদিনই বাড়বে জেলায়।
এদিকে সরেজমিনে শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সামনে সড়কসহ বেশ কয়েকটি স্থানে পিচ গলে যাচ্ছে। এতে যানবাহন চলাচলের সময় গলিত পিচ টায়ারে লেপ্টে গিয়ে বাড়াচ্ছে ভোগান্তি।
চুয়াডাঙ্গা শহরের মোটরসাইকেল চালক হানিফ ইসলাম বলেন, এই গরমে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা খুব কষ্টকর। মাথা ঘুরে যায়। তেল নিতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে, এর মধ্যে গরমে শরীর একেবারে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে।
আরেক চালক রবিউল হক বলেন, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছে। তেলের জন্য যেমন কষ্ট, তার ওপর এই গরম- দুটো মিলে অবস্থা খুব খারাপ।
দিনমজুর আব্দুল মালেক বলেন, রোদ এত বেশি যে কাজ করতে পারি না ঠিকমতো। তবুও পেটের দায়ে কাজ করতে হচ্ছে। দুপুরের রোদে শরীর জ্বলতে থাকে।
ডেল্টা টাইমস্/আইইউ