বাংলাদেশ সিরিজে প্রোটিয়াদের শক্তিশালী দল ঘোষণা

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

খেলাধুলা

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস এবার বাংলাদেশের বিপক্ষে কাজে লাগাতে চায় দক্ষিণ আফ্রিকা। সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেটের অন্যতম

2026-11-02T16:34:08+06:00
2026-11-02T16:34:08+06:00
সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশ সিরিজে প্রোটিয়াদের শক্তিশালী দল ঘোষণা
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৪ পিএম   (ভিজিট : ৮)

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস এবার বাংলাদেশের বিপক্ষে কাজে লাগাতে চায় দক্ষিণ আফ্রিকা। সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়াকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে প্রোটিয়ারা। এবার নিজেদের চেনা কন্ডিশনে বাংলাদেশকে মোকাবিলার প্রস্তুতি শুরু করেছে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা দলটি। দুই ম্যাচের এই সিরিজ সামনে রেখে ১৫ সদস্যের শক্তিশালী স্কোয়াডও ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার নির্বাচক প্যানেল।

দলের নেতৃত্বে থাকছেন নিয়মিত অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর বাংলাদেশের বিপক্ষেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখাই এখন স্বাগতিকদের লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি পেস আক্রমণেও বিশেষ নজর দিয়েছে দলটি।

ঘোষিত স্কোয়াডে প্রোটিয়া দলের উল্লেখযোগ্য সংযোজন টনি ডি জর্জি, জুবায়ের হামজা ও আনরিখ নরকিয়া। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে অনুপস্থিত ছিলেন ডি জর্জি। চোট কাটিয়ে আবারও দলে ফিরেছেন এই ব্যাটসম্যান। অন্যদিকে, জুবায়ের হামজার অন্তর্ভুক্তি ব্যাটিং বিভাগে বিকল্প বাড়াবে। কুঁচকির চোটে দুই সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকার পর দলে ফিরেছেন গতির ঝড় তোলা পেসার নরকিয়াও।

প্রোটিয়াদের বোলিং আক্রমণে থাকছে গতির সমারোহ। নরকিয়ার সঙ্গে নতুন বলের দায়িত্ব সামলাতে প্রস্তুত কাগিসো রাবাদা, ড্যান প্যাটারসন, মার্কো ইয়ানসেন ও ভিয়ান মুল্ডার। অলরাউন্ডার করবিন বশও রয়েছেন এই বিভাগে। তবে পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া চলায় স্কোয়াডে জায়গা হয়নি লুঙ্গি এনগিডির।

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে পেসারদের ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর কারণও ব্যাখ্যা করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান কোচ শুকরি কনরাড। তার মতে, হাইভেল্ড অঞ্চলের উইকেটে সাধারণত পেস ও বাউন্স বেশি পাওয়া যায়। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে ওয়ান্ডারার্সে স্পিনারদের জন্যও কিছুটা সহায়তা দেখা গেছে। ফলে কন্ডিশনের সম্ভাব্য চরিত্র মাথায় রেখেই বোলিং আক্রমণে পর্যাপ্ত বিকল্প রাখতে চেয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

তবে বাংলাদেশের পেসারদেরও হালকাভাবে নিচ্ছে না স্বাগতিকরা। কনরাডের ধারণা, হাইভেল্ডের কন্ডিশন বাংলাদেশের পেস বোলারদের জন্যও কার্যকর হতে পারে। সে কারণে দুই দলের বোলিং লড়াই সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। পাশাপাশি টনি ডি জর্জির প্রত্যাবর্তন ও জুবায়ের হামজার অন্তর্ভুক্তি ব্যাটিং লাইনআপকে বাড়তি শক্তি জোগাবে বলে মনে করছেন প্রোটিয়া কোচ।

সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হবে আগামী ১৫ নভেম্বর জোহানেসবার্গের ঐতিহ্যবাহী ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে। এরপর ২৩ নভেম্বর সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্কে মাঠে গড়াবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। দুই ম্যাচের লড়াই সামনে রেখে ১১ নভেম্বর জোহানেসবার্গে একত্রিত হবেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা।

বাংলাদেশের জন্য অবশ্য দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলা বরাবরই কঠিন চ্যালেঞ্জ। সর্বশেষ ২০২২ সালে দেশটির মাটিতে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। সেবার দুই টেস্টেই হেরে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খুইয়েছিল বাংলাদেশ। এবারও প্রতিপক্ষের সাম্প্রতিক ফর্ম, ঘরের মাঠের সুবিধা এবং শক্তিশালী পেস আক্রমণ বাংলাদেশের সামনে কঠিন পরীক্ষা হাজির করতে যাচ্ছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট স্কোয়াড

টেম্বা বাভুমা (অধিনায়ক), মার্কাস অ্যাকারম্যান, ম্যাথু ব্রিটস্কি, করবিন বশ, টনি ডি জর্জি, সাইমন হার্মার, জুবাইর হামকা, মার্কো ইয়ানসেন, কেশাভ মাহারাজ, এইডেন মার্করাম, ভিয়ান মুল্ডার, আনরিখ নরকিয়া, ড্যান প্যাটারসন, কাগিসো রাবাদা, রায়ান রিকেলটন


ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ