প্রকাশ: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৮ পিএম (ভিজিট : ০)

চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল অপারেটর কোম্পানির টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির অভিযোগে আন্তঃজেলা চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. সোহাগ (৩৪), সাহিদ হোসেন প্রকাশ শিবলু (৩২), মো. শামসুদ্দিন (৪১), মো. মোজাম্মেল হক (৩২), মো. ইউনুস (৪২) ও মো. সাইফুল ইসলাম স্বপন (৪৪)।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) এ তথ্য জানায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। এ সময় চুরির কাজে ব্যবহৃত দুটি নোহা মাইক্রোবাস, প্রায় ছয় লাখ টাকা মূল্যের দুটি ব্যাটারি ও চুরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ২৭ অক্টোবর চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথম পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে ভুজপুর থানা-পুলিশ। পরে তাদের দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) কুমিল্লার লাকসাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাইফুল ইসলাম স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ি থেকে আরও একটি নোহা মাইক্রোবাস ও দুটি চোরাই ব্যাটারি উদ্ধার করা হয়।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দেশের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির সঙ্গে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ আন্তজেলা চক্রের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সোহাগ, শামসুদ্দিন ও মোজাম্মেল হকের বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম থানার নাউটি এলাকায়। শিবলুর বাড়ি ঢাকার কেরানীগঞ্জের নুরার চর এলাকায়। ইউনুসের বাড়ি কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার ঘোষগাঁও এলাকায়। আর সাইফুল ইসলাম স্বপনের বাড়ি লাকসাম পৌরসভার পশ্চিম গাঁ এলাকার ঠাকুরপাড়ায়।
তিনি আরও বলেন, উদ্ধার করা ব্যাটারিগুলো ভিশন ব্র্যান্ডের ৪৮ ভোল্ট ও ১০০ অ্যাম্পিয়ার আওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন। এগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ছয় লাখ টাকা। চুরি যাওয়া অবশিষ্ট ব্যাটারি উদ্ধার এবং এ ঘটনায় জড়িত পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট ভোরে চট্টগ্রামের ভুজপুর থানার হেঁয়াকো বাজারে গ্রামীণফোনের একটি টাওয়ারের বিটিএস কক্ষের লক গার্ড ভেঙে চারটি ব্যাটারি চুরি হয়। এর কয়েক দিন আগে একই থানার গার্ডের বাজার এলাকার আরেকটি টাওয়ার থেকে ছয়টি ব্যাটারি চুরি করা হয়। এ ঘটনায় গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ গত ৭ অক্টোবর ভুজপুর থানায় মামলা করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই