প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২১ এএম (ভিজিট : ১১)

উৎসবমুখর পরিবেশে ও কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সকালে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এর আগে বুধবারই নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভোটগ্রহণের জন্য এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। আসনটির ১৮৫টি কেন্দ্রের প্রতিটিতে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ যাবতীয় নির্বাচনি সরঞ্জাম নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার কামরুল ইসলামের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের হাতে এসব নির্বাচনি সরঞ্জাম বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এই আসনের ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১১৩টি, নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় ৩৩টি এবং ভূল্লী উপজেলায় ৩৯টিসহ মোট ১৮৫টি কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
উপ-নির্বাচন ঘিরে জেলাজুড়ে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের প্রায় ৫ হাজার ৩০০ জন সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে রয়েছেন ২ হাজার ২৭২ জন পুলিশ সদস্য, ২১ প্লাটুন বিজিবি, ২ হাজার ৪০৫ জন আনসার সদস্য, তিনজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ২৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। পাশাপাশি ৯০টি মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্স, ২৫ জন নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব পর্যবেক্ষক, চারজন বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং ১৭৭ জন দেশি ও স্থানীয় পর্যবেক্ষক নির্বাচনি মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, সাধারণ জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় এ নির্বাচনে কয়েকগুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের এই উপ-নির্বাচনে মোট ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ২১৯ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩ জন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট পাঁচজন প্রার্থী।
তারা হলেন- বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও ১১ দলীয় জোটের সমর্থিত মো. দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আব্দুল আলিম নিজামী (বটগাছ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মোহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।
ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই