প্রকাশ: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৪ পিএম আপডেট: ৩০.০৯.২০২৬ ৫:২৫ পিএম (ভিজিট : ৯)

সংগৃহীত ছবি
পাইলটদের মধ্যে মারামারির পর জরুরি সংকেত পাঠিয়ে ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমান সৌদি আরবে অবতরণ করেছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের এক কর্মকর্তা।
ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। জর্ডানের আকাশসীমা অতিক্রম করার সময় বিমানটি প্রথমে সাধারণ জরুরি সংকেত পাঠায়। কয়েক মিনিট পর ‘অবৈধ হস্তক্ষেপের’ সম্ভাবনা বোঝানো আরেকটি জরুরি সংকেত পাঠানো হয় বলে ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪ জানিয়েছে।
এরপর বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তাবুকের দিকে ঘুরে যায় এবং সেখানে নিরাপদে অবতরণ করে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিমানে প্রায় ১৫০ জন ইসরায়েলি যাত্রী ছিলেন।
ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রথম জরুরি সংকেত পাঠানোর আগে বিমানটি ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে প্রায় ১৪ হাজার ফুট নিচে নেমে যায়।
ঘটনার পর ইসরায়েলে বড় ধরনের নিরাপত্তা তৎপরতা শুরু হয়। ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকায় ঘটনাটি বিশেষ গুরুত্ব পায়।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ডোরন স্পিলম্যান বলেন, ঘটনাটি ছিনতাইয়ের ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে না। তিনি এটিকে ‘ভিন্ন ধরনের ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেন।
ফ্লাইদুবাইয়ের এক মুখপাত্রও জানান, তেল আবিবের পথে বিমানটিতে একটি ঘটনা ঘটার পর সেটি সৌদি আরবের তাবুকে ঘুরিয়ে নেওয়া হয়। বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে এবং সব যাত্রী নিরাপদে আছেন।
তবে রয়টার্সকে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দুই পাইলটের মধ্যে শারীরিক সংঘর্ষের পর তারা জরুরি সংকেত পাঠিয়েছিলেন। তবে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে সংকেত পাঠিয়েছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার হয়নি।
এদিকে, বিমানের এক যাত্রীর মা ইয়াসমিন আবু কাসিস বলেন, তার মেয়ে মিরিয়াম ওই ফ্লাইটে ছিলেন। মেয়ের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, বিমানের ভেতরে চিৎকারের শব্দ শোনা গিয়েছিল এবং এক ব্যক্তি ছুরি হাতে একজন পাইলটকে মেঝেতে ফেলে দিয়েছিলেন বলে তিনি দাবি করেন।
তবে এই যাত্রীর দেওয়া বর্ণনার স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা যায়নি। ফ্লাইদুবাইও বিমানের ভেতরে ঠিক কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
ডেল্টা টাইমস/সিআর/এফএএইচ