সালমান মুক্তাদিরের অভিমানকে ছোট করছি না, তবে আমি তার শাস্তির পক্ষে

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

বিনোদন

সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাহেদ আলম বলেছেন, আমি তার (সালমান মুক্তাদির) অভিমানকে ছোট করছি না। তবে তিনি যে

2026-09-29T13:09:30+06:00
2026-09-29T13:10:06+06:00
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সালমান মুক্তাদিরের অভিমানকে ছোট করছি না, তবে আমি তার শাস্তির পক্ষে
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৯ পিএম  আপডেট: ২৯.০৯.২০২৬ ১:১০ পিএম  (ভিজিট : ৯)

সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাহেদ আলম বলেছেন, আমি তার (সালমান মুক্তাদির) অভিমানকে ছোট করছি না। তবে তিনি যে অপূরণীয় রাজনৈতিক ড্যামেজ করেছেন সরকারি দলকে, সে জন্য তার আইনানুগ শাস্তি দেওয়ার পক্ষে আমি।

রোববার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নিউগিনি প্রপার্টিজ একটি জায়গায় দখল করে বানানো। যেখানে ৮ কাঠা জমি নিয়ে বিবাদ আছে। এর পরে ৩টি নতুন গেট বসানো হয়েছে, যেটা নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে দ্বন্দ্ব বহুদিনের।

সেখানে বিল্ডিং বা দখল করে স্থাপনা বানিয়েছেন আওয়ামী লীগদের রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে। কিন্তু নতুন সরকারের সময়ে পূর্বের রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করছে না। জমির মালিকরা বা প্রবেশাধিকার পাচ্ছেন না। একটা জোরে ঝাঁকুনি দিতে চেয়েছেন তারা।

মধ্যরাতে এক-দেড় শ মানুষ গুলি-ভাঙচুর করে স্থাপনার ভেতরে যা পেয়েছে, ভেঙে ফেলেছে। কাজ হয়েছে তাতে। প্রপার্টির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তদন্তও হবে। কিন্তু মাঝখানে সর্বনাশ হয়ে গেছে।

সাহেদ আলম লেখেন, দেশের এক বিখ্যাত ইউটিউব ইনফ্লুয়েন্সারের স্টুডিও ছিল ওখানে। সম্ভবত প্রপার্টির বৈধতা ধরে রাখতে তিনি বিনা মূল্যে জায়গা দিয়েছিলেন শক্ত খুঁটিওয়ালা ইউটিউবারকে। ভাঙচুরের পর ইউটিউবার হাসতে হাসতে লাইভে এসে বললেন, চাঁদা না পেয়ে বিএনপি এটা ভাঙচুর করেছে। এই দেশ ভালো না, এখানে কিছু করো না তোমরা।

তিনি উল্লেখ করেন, আমি তার অভিমানকে ছোট করছি না। তবে তিনি যে অপূরণীয় রাজনৈতিক ড্যামেজ করেছেন সরকারি দলকে, সে জন্য তার আইনানুগ শাস্তি দেওয়ার পক্ষে আমি। তদন্ত হোক। আসলে বিএনপির কেউ জড়িত কি না। নাম-চেহারা সামনে আসুক। যারা সন্ত্রাসী তাদের শাস্তি অবশ্যই পেতে হবে। একই সঙ্গে ইউটিউবারকেও—অবৈধ সম্পত্তি দখলে সহযোগিতার জন্য। আর একটি রাজনৈতিক দলকে চাঁদাবাজের তকমা দেওয়ার জন্য অন্তত ১০০ বিলিয়ন ডলারের মানহানির মামলা করা হোক।

এই সাংবাদিক লেখেন, ১০০ বিলিয়ন ডলার না হোক, তার নিজের ও শ্বশুরের সম্পত্তি দিয়ে যেটুকু ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে, সেটা দিয়ে আমরা আবার বিএনপির ইমেজ উদ্ধারে কাজ করব যে না, বিএনপি চাঁদাবাজের দল নয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাধারণত আমি লিখি না। এড়িয়ে চলি। ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত ও বেহায়া মনে হয় নিজেকে। লিখলাম কারণ, চাঁদাবাজের ন্যারেটিভ ক্ষত এখনো টাটকা। মনে আছে, নির্বাচনের আগে যখন বিএনপি ‘চাঁদাবাজের দল’ বলে যেই মহীরুহ ন্যারেটিভ দাঁড় করানো হয়েছিল, সেটার বিপরীতে জয় তুলে আনতে আমরা কয়েকজন প্রতিপক্ষকে ‘মববাজের দল’ বলে কালেক্টিভ প্রচারণা চালিয়েছিলাম। মানুষ ‘চাঁদাবাজ ভার্সাস মববাজ’-এর মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে ভোট দিয়েছে যাদের, তাদের এসব ন্যারেটিভ বা নিউমিডিয়ার বয়ানযুদ্ধ নিয়ে তখনও কোনো ভাবনা ছিল না।


ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ