প্রকাশ: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০০ এএম (ভিজিট : ৭)

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) ইনফ্লুয়েন্স জোনের বাইরে অবস্থিত ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের বাড়িঘরে ফাটল দেখা দেওয়ায় ক্ষতিপূরণ ও অনুদানের চেক বিতরণ শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে ১৩০ জন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীর হাতে এসব চেক তুলে দেওয়া হয়।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অফিসার্স ক্লাব ‘মনমেলা’য় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে চেক তুলে দেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমপি। বিসিএমসিএল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে পর্যায়ক্রমে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে এই অর্থ বিতরণ করা হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ক্ষতিগ্রস্ত ১৩টি গ্রামের মোট ২ হাজার ২৫টি পরিবারের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ১০ কোটি ২০ লাখ ৪৫ হাজার টাকা বিতরণ করা হবে। নির্ধারিত ক্ষতিপূরণের হার অনুযায়ী, কাঁচা ঘরের জন্য ৮ হাজার টাকা, কাঁচা-পাকা ও পাকা ঘরের জন্য ১০ হাজার টাকা এবং গোডাউনের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে।
চেক বিতরণকালে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, মাটির নিচে থাকা খনিজ সম্পদ জাতীয়ভাবে কাজে লাগাতে হবে। একসময় উত্তরাঞ্চলের মানুষকে মফিজ বলা হতো, এখন আর সেই অবস্থা নেই। এ অঞ্চল খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। কয়লা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, নিয়মিত বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের জনগণ উপকৃত হচ্ছে।
তিনি বলেন, সরকার দেশের জনগণ এবং খনির আশপাশের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সবসময় থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক এমপি, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান, জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জেদান আল মুসাসহ বিসিএমসিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. শাহ আলম।
ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে উল্লেখ করা গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে উত্তর চৌহাটি, চক মহেশপুর, চেরাপাড়া, মোবারকপুর, দক্ষিণ রসুলপুর (ছোট), দক্ষিণ রসুলপুর (বড়), মধ্য দুর্গাপুর, কয়লাখনি বাজার, শাহাগ্রাম, হামিদপুর, বৈগ্রাম বাজার, বৈগ্রাম, জব্বারপাড়া, পূর্ব জব্বারপাড়া ও কাশিয়াডাঙ্গা।
ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই