ফরিদপুরে এনসিপি নেতার নকল ওষুধ কারখানায় এসআরবির অভিযান

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

সারাদেশ

ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকায় একটি ভুয়া ও নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ

2026-09-25T08:40:47+06:00
2026-09-25T08:40:47+06:00
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদপুরে এনসিপি নেতার নকল ওষুধ কারখানায় এসআরবির অভিযান
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪০ এএম   (ভিজিট : ৯)
ভুয়া ও নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ ও বেবি জেল জব্দ করেছে এসআরবি-১৯

ভুয়া ও নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ ও বেবি জেল জব্দ করেছে এসআরবি-১৯

ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকায় একটি ভুয়া ও নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ ও বেবি জেল জব্দ করেছে এসআরবি-১৯।

এ ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক (বহিষ্কৃত) ও কারখানার মালিক বাইজিদ হোসেন শাহেদকে কারাদণ্ডের পর তার ম্যানেজার জিল্লুর রহমানকে আটক করা হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরের গোয়ালচামট ১ নম্বর সড়কের ‘জনতা ল্যাবরেটরিজ আয়ুর্বেদিক’ নামের প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় দফায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এদিকে বৃহস্পতিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ফরিদপুর জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বাইজিদ হোসেন শাহেদকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

​এসআরবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার প্রথমে এনসিপি নেতা বাইজিদ হোসেন শাহেদকে আটকের পর ছয় মাসের কারাদণ্ড ও দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে ‘জনতা ল্যাবরেটরিজ আয়ুর্বেদিক’ নামের প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় দফায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কারখানাটি থেকে বিপুল পরিমাণ জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নকল যৌন উত্তেজক ওষুধ ও শিশুদের ক্ষতিকারক জেলি জব্দ করা হয়। তল্লাশিকালে কারখানা কর্তৃপক্ষকে ওষুধ তৈরির বৈধ কোনো কাগজপত্র বা সনদ দেখাতে পারেনি।


আদালত সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় দফায় অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার জিল্লুর রহমানকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া জব্দকৃত ক্ষতিকারক তরল ওষুধগুলো স্থানীয় একটি ডোবায় ফেলে ধ্বংস করা হয় এবং বাকি ওষুধ ও মালামাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে ওষুধ তৈরির ভারী যন্ত্রপাতিগুলো জব্দ করে স্থানীয় বাড়ির মালিকের জিম্মায় রাখা হয়েছে। এসআরবি-১৯-এর কোম্পানি অধিনায়ক মেজর ফারহানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার সাকিব রহমান আকাশ জানান, আটক শাহেদের তথ্যের ভিত্তিতেই এই আয়ুর্বেদিক কারখানায় ফের অভিযান চালানো হয়। সেখানে মানুষের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর নকল ওষুধ তৈরি হচ্ছিল এবং এর কোনো বৈধ অনুমোদন ছিল না।








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ