ডিসেম্বরের মধ্যে পেপারলেস ও স্মার্ট পোর্টে রূপান্তর হবে চট্টগ্রাম বন্দর

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

সারাদেশ

বন্দর ব্যবহারকারীদের সেবা সহজীকরণ, দ্রুত পণ্য খালাস, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি ও বন্দর এলাকার যানজট নিরসনে ডিজিটালাইজেশন ও স্বয়ংক্রিয়করণ কার্যক্রম

2026-09-23T19:03:02+06:00
2026-09-23T19:03:02+06:00
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ডিসেম্বরের মধ্যে পেপারলেস ও স্মার্ট পোর্টে রূপান্তর হবে চট্টগ্রাম বন্দর
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৩ পিএম   (ভিজিট : ০)

বন্দর ব্যবহারকারীদের সেবা সহজীকরণ, দ্রুত পণ্য খালাস, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি ও বন্দর এলাকার যানজট নিরসনে ডিজিটালাইজেশন ও স্বয়ংক্রিয়করণ কার্যক্রম জোরদার করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরকে সম্পূর্ণ কাগজবিহীন ও স্মার্ট বন্দরে রূপান্তরের লক্ষ্যে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের সম্মেলন কক্ষে চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় বন্দরের সেবাসমূহের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বর্তমানে বন্দরের শতভাগ জাহাজ বিল অনলাইনে সম্পাদিত হচ্ছে। পাশাপাশি কনটেইনার ও পণ্যগ্রহীতা বিল শতভাগ টার্মিনাল পরিচালন ব্যবস্থার মাধ্যমে তৈরি ও আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নবনির্মিত ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারে সোনালী ব্যাংক পিএলসির বুথ স্থাপন এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেসের মাধ্যমে ছুটির দিন ও অফিস সময়ের বাইরেও যেকোনো সময় অনলাইন পেমেন্টের সুবিধা চালু করা হচ্ছে।

এ ছাড়া ই-গেট পাস ইস্যু এবং গেটে প্রবেশ ও বহির্গমন শতভাগ অনলাইনের আওতায় আনার পাশাপাশি টার্মিনাল পরিচালন ব্যবস্থার মাধ্যমে সময়ভিত্তিক স্লট ব্যবস্থাপনা, অনলাইন কার্ট টিকিট, ই-গেট চালান এবং শতভাগ জাহাজের ই-এনওসি নিশ্চিত করা হচ্ছে।

বন্দরের মাশুলাদি আদায়ের ক্ষেত্রে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেমেন্ট না হলে স্বয়ংক্রিয় পুল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে টার্মিনাল পরিচালন ব্যবস্থায় অনলাইনে বিশেষ পণ্য সরবরাহ অনুমোদন এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও কাস্টমসের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেসের মাধ্যমে নিলাম পণ্য সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের ব্রেক-বাল্ক পণ্য ওঠানামার কার্যক্রমও দ্রুত অনলাইনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

যানজট কমাতে টার্মিনাল পরিচালন ব্যবস্থার নতুন সংস্করণে ড্রপ টিকিট, পিকআপ টিকিট ও ইলেকট্রনিক ইন্টারচেঞ্জ রসিদকে ই-গেট পাসের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারে তাৎক্ষণিকভাবে নথি যাচাই, বিল তৈরি ও নিশ্চিতকরণের ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।

সভায় অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপোর সঙ্গে সমন্বয় এবং বে টার্মিনালে স্লটভিত্তিক ম্যাপিং করে পেমেন্টভিত্তিক ট্রাক পার্কিং টিকিট ব্যবস্থা চালুর বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, বন্দরের অটোমেশন ও ডিজিটালাইজেশনের ফলে সময় ও খরচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি দ্রুত বকেয়া আদায়সহ বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত হচ্ছে।

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরকে সম্পূর্ণ কাগজবিহীন ও স্মার্ট বন্দরে রূপান্তরের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বন্দরের সব ব্যবহারকারী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনকে ডিজিটাল কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডেল্টা টাইমস/সিআর/এফএএইচ








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ