আগামী বছর সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিডডে মিল চালু: প্রতিমন্ত্রী

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

শিক্ষা

আগামী বছরের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিডডে মিল চালুর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও

2026-09-07T17:20:33+06:00
2026-09-07T17:20:33+06:00
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

আগামী বছর সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিডডে মিল চালু: প্রতিমন্ত্রী
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২০ পিএম   (ভিজিট : ০)
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

আগামী বছরের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিডডে মিল চালুর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

বর্তমানে ১৫১টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় ৩০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছে। বাকি বিদ্যালয়গুলোতে আগামী বছর থেকে একই ধরনের কর্মসূচি ‘মিডডে মিল’ নামে চালু করা হবে বলে জানান তিনি।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘মিডডে মিল আগামী বছরের ভেতরে আমরা সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।’


তিনি জানান, বর্তমানে ১৫১টি উপজেলায় ৩০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। স্কুল চলাকালীন এসব শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হচ্ছে। বাকি উপজেলাগুলোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে আগামী বছর থেকে মিডডে মিল কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

মিডডে মিলে দেওয়া খাবারের তালিকায় পরিবর্তন আনা হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাবারের পুষ্টিমান ঠিক রেখে পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে নতুন কোনো খাবার যুক্ত করতে হলে সরবরাহ ব্যবস্থা ও পুষ্টিমান দুটিই বিবেচনায় নিতে হবে।

খাবারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগাম চুক্তির বিষয়েও কাজ চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে আগে থেকেই চুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে তারা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে পারে এবং সরকার পরবর্তী বছর থেকে পণ্য নিতে পারে।

মিডডে মিল কর্মসূচিতে খাবারের মান নিয়ে বিভিন্ন সময় ওঠা অভিযোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, গত কয়েক মাসে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। গত এক মাসে তিনি নিজে ১২ থেকে ১৪টি জেলা পরিদর্শন করে কর্মসূচির পরিস্থিতি দেখেছেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘শুরুর দিকে যে ফল্ট লেভেলগুলো ছিল, সেগুলো একদম ডিমিনিশ হয়ে গেছে। আমি হয়ত জিরো বলব না, কিন্তু জিরোর কাছাকাছি চলে এসেছে।’

কিছু এলাকায় মিথ্যা প্রতিবেদনও পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে খাবারের মান যাচাইয়ে মায়েদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে বলেও জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাবার গ্রহণের প্রক্রিয়ায় মাদার্স কমিটিকে যুক্ত করা হয়েছে। কমিটিতে তিনজন মা, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও একজন শিক্ষক থাকছেন। খাবার গ্রহণযোগ্য মনে না হলে তা ফেরত পাঠানোর বিষয়ে মায়েদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রাথমিক পর্যায়ের বয়সী শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় ফিরিয়ে আনতেও মিডডে মিল কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ৪ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের আবার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার আওতায় আনা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে, তাদের স্কুলে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে।

পাইলট কর্মসূচির মাধ্যমে এ বিষয়ে তথ্য ও অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, পাইলটে যদি দেখা যায় মিডডে মিল যুক্ত করলে শিশুদের দ্রুত স্কুলে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে, তাহলে ভবিষ্যতে সেটিও বিবেচনা করা হবে।


ডেল্টা টাইমস/সিআর/এনজিটি











  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ