কিছু আসামির গতিবিধি সন্দেহজনক, নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে : চিফ প্রসিকিউটর

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

জাতীয়

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, কিছু আসামির গতিবিধি ও তৎপরতা সন্দেহজনক। আসামিদের কেউ কেউ

2026-09-06T18:12:34+06:00
2026-09-06T18:12:34+06:00
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

কিছু আসামির গতিবিধি সন্দেহজনক, নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে : চিফ প্রসিকিউটর
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১২ পিএম   (ভিজিট : ০)
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, কিছু আসামির গতিবিধি ও তৎপরতা সন্দেহজনক। আসামিদের কেউ কেউ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর চেষ্টা করতে পারে, এমন গোপন তথ্যও রয়েছে। এ কারণে ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

রবিবার ( ৬ সেপ্টেম্বর ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’র সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলির নেতৃত্বে ৫৫টি পরিবারের সদস্যরা চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে আসেন। তাদের জবানবন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে তদন্ত সংস্থা। ব্রিফিংয়ের সময় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের সতর্ক করা হয়েছে। কিছু আসামির গতিবিধি ও তৎপরতা সন্দেহজনক মনে হওয়ায় সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ২৫১ জন গুমের শিকার হওয়ার অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ‘মায়ের ডাক’র ব্যানারে একাধিকবার প্রসিকিউশনের সঙ্গে দেখা করেছে এবং লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সংস্থা কাজ করছে।

আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্তে দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ ঘটনায় একই ধরনের কৌশল অনুসরণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে বা তাদের মাধ্যমে ব্যক্তিদের তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্ন নয়, বরং ‘ওয়াইডস্প্রেড’ ও ‘সিস্টেমেটিক’ অপরাধ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তার ভাষায়, ‘এগুলো শুধু গুম নয়, মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।’

তদন্ত দ্রুত শেষ করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, চলতি বছরের মধ্যেই তদন্ত সম্পন্ন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, গুমের মামলাগুলোর তদন্ত শুরুর পর কিছু অভিযুক্ত ব্যক্তির তৎপরতা বেড়েছে বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে। এজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর নিরাপত্তাও জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালে যাদের বিরুদ্ধে বিচার চলছে, তাদের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি যেমন জরুরি, তেমনি গুমের শিকার পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

ডেল্টা টাইমস/সিআর/এনজিটি








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ