ম. জাভেদ ইকবাল:

পুরানো প্রবাদ- অভাবে স্বভাব নষ্ট। এখানে অভাব বলতে আর্থিক অনটনকে বোঝানো হয়েছে। অভাবের তীব্র তাড়নায় মানুষ তার বিবেক হারিয়ে অপকর্মে লিপ্ত হতেও পারে। কিন্তু শুধু অভাবের কারণেই নয়, স্বভাব ও লোভেও মানুষ দুর্নীতি নামক স্বভাবগত অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। অর্থ-বিত্ত-বৈভবে কোনো মতেই পিছিয়ে না পড়ার চিন্তা এখন সমাজের বহুজনের মগজে স্থান করে নিচ্ছে। সমাজের এই অসুস্থ প্রতিযোগিতার নিকৃষ্ট প্রভাবে অনেকের ক্ষেত্রে এখন ‘জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ’- শব্দগুচ্ছ গণমাধ্যমে প্রায়শই শোনা যায়। যদিও, শেষ পর্যন্ত দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড়ো লড়াইটা মানুষকে তার বিবেকের শক্তিতেই লড়তে হয়। তবুও, রাষ্ট্রীয় আইনের কঠোর প্রয়োগও দুর্নীতি দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করছে।
উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং দুর্নীতি-এ কথাগুলো বর্তমানে মানুষের মুখে মুখে খুবই প্রচলিত। কেননা, উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে যেটি বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তা হলো দুর্নীতি। নৈতিকভাবে উন্নত, সৎ, বিবেকবান মানুষ যে পদেই থাকুন না কেন, তিনি সমাজ ও জাতির বড়ো সম্পদ। তার মাধ্যমে উপকার না হলেও অন্তত কারো ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। অপরদিকে নৈতিকতা বর্জিত ব্যক্তি যতই উচ্চ আসনে অবস্থান করুক না কেন, সে মোটেও শ্রদ্ধার পাত্র নন। পদমর্যাদার কারণে তাকে হয়তো মানুষ সামনে কিছু বলে না, কিন্তু অন্তর থেকে ঘৃণা করে। কারণ, তার দ্বারা উপকারের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি।
দুর্নীতি বলতে আমরা সাধারণ অর্থে স্বাভাবিক নিয়মনীতির গতিধারাকে লঙ্ঘন করে কোনো কাজ করাকে বুঝি, যা কোনো ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থ চরিতার্থ করে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে দুর্নীতি এক ভয়াবহ অভিশাপ। এই ঘৃণিত কাজ সমাজের প্রচলিত রীতিনীতি, মূল্যবোধ ও আদর্শের পরিপন্থি। দুর্নীতি জাতির সব অর্জনকে এবং জাতীয় উন্নয়নের সব সম্ভাবনাকে ম্লান করে দেয়। কারণ, দুর্নীতিবাজ মানুষ স্বার্থান্ধ, বিবেকবর্জিত। সে সব সময় নিজের স্বার্থসিদ্ধির মতলবে থাকে। সমাজের কল্যাণ, দেশের মঙ্গলের কথা তার চিন্তায় থাকে না। জাতির সামগ্রিক উন্নতি-সমৃদ্ধির কথা ভাবতে তার বিবেক সায় দেয় না। এজন্য দুর্নীতিগ্রস্ত লোক দেশের উন্নতির পথে বাধাস্বরূপ, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির বড়ো শত্রু। অনেক সময় দেখা যায়, কেউ কেউ বাড়ি-জমি কেনার সময় প্রকৃত দামের চেয়ে কম দাম দলিলে উল্লেখ করেন। এতে একদিকে যেমন রাষ্ট্র বঞ্চিত হয় তার প্রাপ্য নিবন্ধন ফি থেকে, অপরদিকে দুর্নীতিবাজ ক্রেতা তার অবৈধ টাকা আড়াল করে সম্পদের মালিক হন, কিন্তু দলিলে উল্লিখিত টাকার বাইরে বিক্রেতার অর্জিত টাকা ‘কালো টাকা’-তে পরিণত হয়। এটি একটি ক্ষুদ্র দুর্নীতির নমুনা । আবার, ঘুষ-অনিয়ম, সরকারি বা ব্যক্তিগত সম্পদ আত্মসাতের মাধ্যমে অর্জনও দুর্নীতির উদাহরণ ।
আসলে ঘুষ ও দুর্নীতি বাংলাদেশের মতো যেকোনো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির সবচেয়ে বড়ো অন্তরায়। যদিও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য দূরীকরণসহ সর্বোপরি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে কঠিনতম বাধা দুর্নীতি, তথাপি দেশের আপামর জনগণ দুর্নীতিগ্রস্ত নয়। তারা দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগী মাত্র। কিছু ক্ষমতাবানদের দুর্নীতি ও তা প্রতিরোধে ব্যর্থতার কারণে দেশ বা এর সমগ্র জনগণকে কোনোভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত বলা যায় না। বিশ্বের প্রতিটি জাতির জাতীয় উন্নয়নের প্রধান বিষয়গুলো হলো মানব উন্নয়নে বিনিয়োগ এবং রাজনীতিতে সুশাসন ও স্বচ্ছতা। জাতীয় জীবনের উন্নতির জন্য প্রতিটি জাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে হয়। ন্যায়নীতি, সততা ও স্বচ্ছতা জাতিকে উন্নতির শীর্ষে পৌঁছে দেয়। পৃথিবীর ইতিহাসে সৎ, ন্যায়নিষ্ঠ ও পরিশ্রমী জাতিই উন্নতির শিখরে আরোহণ করেছে। কিন্তু জাতীয় জীবনে দুর্নীতি প্রবেশ করলে উন্নতির পথ বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, দুর্নীতিই আজকের বাংলাদেশের উন্নয়নে অন্যতম বাধা। দেশের উন্নয়ন, ব্যবসাবাণিজ্য, সামাজিক সাম্য ও গণতন্ত্রের জন্যও হুমকি। তাই, দুর্নীতির সুযোগ বন্ধ করে এটি মোকাবিলায় সবাইকে এক সাথে কাজ করতে হবে।
দুর্নীতির ব্যাপকতা, প্রকৃতি, মাত্রা, ক্ষেত্র এবং কৌশল ক্রমাগত পরিবর্তন হচ্ছে। দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনকারীরা মনে করেন, দুর্নীতির জন্য ৯০ ভাগ দায়ী কিছু রাজনীতিঘনিষ্ট দুষ্টু মানসিকতার ব্যক্তি, ব্যক্তিগত স্বার্থ, লোভ, রাতারাতি ধনী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ইত্যাদি। তারা বলেন, দুর্নীতি থেকে উত্তরণের একটি সুচিন্তিত পথ হলো- দলবাজি, স্বজনপ্রীতি ও মধ্যস্বত্বভোগীদের ঠেকিয়ে আয়বৈষম্য কমিয়ে আনা। তাই, দেশকে ঘুষ ও দুর্নীতিমুক্ত হিসেবে গড়তে হলে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও আমলাদের সদিচ্ছা শুধু কাগজে-কলমে থাকলে হবে না, বাস্তবে দৃশ্যমান হতে হবে। কারণ, দায়িত্বপূর্ণ নাগরিকের সদিচ্ছা ছাড়া কখনো দুর্নীতি দমন কোনো দেশেই সম্ভব হয়নি, আমাদের দেশেও হবে না। দুর্নীতি বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকে একটি বড়ো ব্যাধির মতো দেশের সার্বিক অগ্রগতি এবং উন্নয়নকে ব্যাহত করে চলছে। কোনো সরকারের পক্ষে এককভাবে দুর্নীতি দমন করা সম্ভব নয়। সরকার বা রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি সর্বস্তরের সচেতন নাগরিকদেরকেও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। রোগের চিকিৎসার চেয়ে যদি রোগ প্রতিরোধ করা যায়, তাহলে সেটি বেশি কাজে দেয়। আমরা যদি আমাদের শুভবুদ্ধি, মূল্যবোধ, দেশপ্রেমের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে পারি, তাহলেই দুর্নীতি নামক ব্যাধি প্রতিরোধ করা সম্ভব। আর্থিক দুর্নীতি প্রতিরোধের প্রাথমিক ও একটি সহজ উপায় হলো আর্থিক কর্মকাণ্ডে নগদ টাকার ব্যবহার কমানো। বহু দুর্নীতির মূল হচ্ছে নগদ অর্থের অবাধ প্রবাহ। যদি নগদ অর্থের প্রবাহ কমাতে পারি, অধিকাংশ দুর্নীতিই কমে যাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্ব-উদ্যোগে মোবাইল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসের একটা প্ল্যাটফর্ম করতে পারে, যা হবে সহজ ও নিরাপদ। দেশের জনগণ ধীরে ধীরে চলে আসবে এই প্ল্যাটফর্মে, তারা যেন দৈনন্দিন লেনদেন এখান থেকেই স্বাচ্ছন্দ্যে করতে পারেন কোনো রকম বাড়তি খরচ ছাড়া। এতে বাজারে নগদ টাকার প্রবাহ ধীরে ধীরে কমে আসবে এবং দুর্নীতির পরিসরও কমতে শুরু করবে। সে প্রয়াস অবশ্য অব্যাহত আছে, যার উদাহরণ- বাংলা কিউআর।
দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রাতিষ্ঠানিক, আইনি ও সামাজিক স্তরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম, সরকারি কেনাকাটায় ই-জিপি পদ্ধতি প্রধান। এছাড়া, সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সততা নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। অপরাধের মাত্রা ও পরিধি অনুযায়ী দুর্নীতি রোধে সংশ্লিষ্ট আইনে সময়োপযোগী সংশোধন আনা হয়েছে। একইসাথে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি, নিয়মিত সেমিনার ও উঠান বৈঠক আয়োজন, তরুণ প্রজন্মকে নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে স্কুল ও কলেজে সততা সংঘ গঠন করা হয়েছে। আবার, বিভিন্ন সেবামুলক প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির সম্ভাব্য উৎস ও ঝুঁকি চিহ্নিত করে তা হ্রাসের কৌশল নির্ধারণ করার প্রচলন শুরু হয়েছে। সরকারি কার্যক্রমে ই-গভর্নেন্স ও অটোমেশন চালুর মাধ্যমে আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তথ্য অধিকার আইন চালুর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সরকারি দাপ্তর বা প্রতিষ্ঠানে তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত হয়েছে। দুঃখজনক হলেও, অনেক ক্ষেত্রে দুর্নীতি কাঠামোগত, প্রাতিষ্ঠানিক এবং অফিসিয়াল কালচারে পরিণত হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া, নিয়োগ, ব্যাংক ঋণ, ভূমি ব্যবস্থাপনা—সবখানেই অনিয়ম-দুর্নীতি বিস্তরের বিষয়ে সেবাগ্রহীতারা অনেক সময় অভিযোগ করে থাকেন। ফলে নতুন সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ কেবল কিছু ব্যক্তি বা ঘটনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া নয়; পুরো ব্যবস্থার ভেতরের রোগ শনাক্ত করে তার চিকিৎসা করা।
যদি সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়া বিতর্কিত হয়, তাহলে বড়ো অনুসন্ধান-তদন্ত বা দুর্নীতির মামলা সামনে এগোয় না। নতুন সরকারের জন্য তাই বড়ো চ্যালেঞ্জ হলো প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ রাখা, নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করা। সরকারি কর্মচারীদের জন্য মোটিভেশনাল প্রশিক্ষণ, কর্মদক্ষতার মূল্যায়ন এবং পুরস্কার–শাস্তির স্পষ্ট নীতি তৈরি এবং ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়া। না থাকলে কেবল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা দিয়ে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা যাবে না। আরেকটি বাস্তবতা হলো বিচারের দীর্ঘসূত্রতা। দুর্নীতির মামলা বছরের পর বছর ঝুলে থাকলে জনসাধারণের কাছে বার্তা যায় যে, শেষ পর্যন্ত কিছুই হবে না। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, বিচারের সময়সীমা নির্ধারণ, প্রযুক্তির ব্যবহার-এসব দিয়ে মামলার নিষ্পত্তিতে গতি আনা যায়। মনে রাখা দরকার, অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত না হলে আইনের ভয় কারো মাঝে কাজ করে না। আগেই বলা হয়েছে, দুর্নীতি প্রতিরোধে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের রাজনৈতিক ইশতেহারে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা বা জিরোটলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে। দুর্নীতি দমন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপি’র ইশতেহারে থাকা প্রধান পদক্ষেপগুলো একটি হলো-দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি কঠোরভাবে কার্যকর করা, রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক সর্বস্তরে জবাবদিহি এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও অতীতে দুর্নীতি দমনের অভিজ্ঞতার আলোকে কার্যকর আইনি প্রক্রিয়ায় পদ্ধতিগত সংস্কার আনা। দুর্নীতি দমন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা। সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এনে মেধাভিত্তিক প্রশাসন তৈরি করা। জনপ্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত এবং জনমুখী করা। ব্যাংক ও আর্থিকখাতের শৃঙ্ক্ষলা ফেরাতে বিশেষ কমিশন গঠন ও বিগত সময়ের দুর্নীতি-অনিয়মের তদন্ত করা। আবার, টেণ্ডার প্রক্রিয়া এবং বড়ো বড়ো রাষ্ট্রীয় চুক্তিতে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং আর্থিক খাতের অনিয়ম রোধে ও দুর্নীতি রোধকল্পে কড়া নজরদারি রাখা।
একইসাথে, বিএনপি তার দেশ গড়ার পরিকল্পনায় দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ট্র্যাকিং ও ওপেন ডাটা সিস্টেম ব্যবস্থা চালুর কথা ঘোষণা করেছে। অনুরূপভাবে, দুর্নীতিবিরোধী আইনের কঠোর প্রয়োগ ও স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থার মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের কথাও দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারের অবস্থান দৃঢ় ও আপসহীন। তাই, আশা করা যেতে পারে, পরিবর্তিত পরিস্থিতির নতুন বাংলাদেশের হাল ধরা বর্তমান সরকারের দূরদর্শী উদ্যোগ, দুর্নীতি প্রতিরোধে নিয়োজিত সংস্থাগুলোর কার্যকর চেষ্টা ও সর্বোপরি জনসাধারণের সচেতনতায় দেশ থেকে দুর্নীতি দূর হবে।
লেখক: মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ : পিআইডি ফিচার।
ডেল্টা টাইমস/ম. জাভেদ ইকবাল/সিআর/এমই