অপু অভিনীত ‘শিকার’ সিনেমায় পশ্চিমবঙ্গের তিন অভিনেতা
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৫ পিএম (ভিজিট : ০)
সীমান্তবর্তী এলাকার গল্প নিয়ে থ্রিলার ঘরানায় কামরুজ্জামান রোমান তৈরি করছেন ‘শিকার’ নামের সিনেমা। অভিনয় করছেন অপু বিশ্বাস ও মুরতজা পলাশ। শিকার দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে পলাশের। সম্প্রতি নেপালে শুরু হয়েছে সিনেমার শুটিং। অপু-পলাশের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের তিন অভিনেতা রজতাভ দত্ত, খরাজ মুখোপাধ্যায় ও শ্যাম ভট্টাচার্য। বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা কামরুজ্জামান রোমান। নির্মাতা আরও জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের পাশাপাশি এতে দেখা যাবে নেপালের অভিনয়শিল্পীদের।
রজতাভ দত্ত, খরাজ মুখোপাধ্যায় ও শ্যাম ভট্টাচার্য—তিনজনেরই বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয় করার অভিজ্ঞতা আছে। শ্যাম ভট্টাচার্য সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তি পাওয়া ‘বরবাদ’ ও ‘রাক্ষস’-এ অভিনয় করলেও দীর্ঘদিন পর ঢালিউড সিনেমায় ফিরলেন রজতাভ ও খরাজ।
নির্মাতা কামরুজ্জামান রোমান বলেন, ‘চরিত্রের প্রয়োজনেই রজতাভ দত্ত, খরাজ মুখোপাধ্যায় ও শ্যাম ভট্টাচার্যকে নেওয়া হয়েছে। সবাই অনেক এফোর্ট দিচ্ছেন। আশা করছি সবাই মিলে দর্শকদের দারুণ একটি সিনেমা উপহার দিতে পারব।’
খরাজ মুখোপাধ্যায়, রজতাভ দত্ত ও শ্যাম ভট্টাচার্য । ছবি : সংগৃহীত
রজতাভ দত্ত বলেন, ‘এই সিনেমায় আমার চরিত্রের নাম মনীষ মালহোত্রা। যার পলিটিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড রয়েছে, অনেক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কাজ করে। সব মিলিয়ে চরিত্রটি শক্তিশালী। আশা করছি দর্শকের ভালো লাগবে।’
শ্যাম ভট্টাচার্য বলেন, ‘সীমান্তবর্তী এলাকার অপরাধ নিয়ে এই সিনেমার গল্প। বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশকেই রিপ্রেজেন্ট করা হচ্ছে। কোনো গল্প সিম্পল হলেও যে ইউনিক হতে পারে, সেটাই দেখা যাবে শিকার সিনেমায়। আমার বিশ্বাস, হলে সিনেমাটি দারুণ উপভোগ্য হবে।’
নতুন এই সিনেমা নিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘যখন নির্মাতা গল্প নিয়ে আসেন, আমি তখনই রাজি হয়ে যাই। কারণ, সিনেমাটিতে আমার কাজের জায়গা আছে, অভিনয়ের জায়গা আছে। এই সিনেমার মাধ্যমে আরও একজন নতুন নায়ক মুরতজা পলাশের অভিষেক হবে। এটা নিয়েও আমি অনেক এক্সাইটেড। সব মিলিয়ে সিনেমাটি নিয়ে আমার অনেক প্রত্যাশা জন্মেছে।’
এ বছরের শুরুতে ঘোষণা এসেছিল শিকার সিনেমার। সে সময় জানানো হয়েছিল ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য ওয়েব ফিল্ম হিসেবে নির্মিত হবে এটি। পরে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রেজা ফিল্মসের সঙ্গে আলোচনা করে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির জন্য পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা বানানোর সিদ্ধান্ত নেন নির্মাতা।
কামরুজ্জামান রোমান আরও জানান, নেপালে প্রায় ২৫ দিন শুটিং করবেন তাঁরা। নেপাল অংশের শুটিং শেষ করে দেশে ফিরে আরও সপ্তাহখানেক শুটিংয়ের পর শেষ হবে দৃশ্যধারণের কাজ। এরপর পোস্ট-প্রোডাকশন শেষে পরিকল্পনা সাজানো হবে সিনেমা মুক্তির।