প্রকাশ: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩১ পিএম (ভিজিট : ৬)

সংগৃহীত ছবি
জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে দলীয় সংযোজন বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম(এমপি)।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অসন্তোষ প্রকাশ করে
এই অভিযোগ করেন তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘৩৬ জুলাই ছাত্র-জনতা গণভবনে এসে ফ্যাসিবাদমুক্ত করে এবং বিজয় উল্লাস করে। স্বৈরাচারী হাসিনা ১৭ বছর এখান থেকে সব ধরনের বিধ্বংসী সিদ্ধান্ত নেয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জুলাই জাদুঘরের কাজ মোটামুটি শেষ হয়। নতুন সরকার পাঁচ মাস সময় নেয়। এখন খুলে দিয়েছে। তবে নতুন সরকার কিছু পরিবর্তন করেছে। ফেলানীর স্মৃতি ছবি, মোদি বিরোধী আন্দোলনের ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। দলীয় বয়ান এসেছে। দলীয় সংযোজন বেড়েছে।’
এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘এখানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা শিক্ষার্থী, ঢাকার বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্দোলনের দৃশ্য ফুটে ওঠেনি। এসব যাতে বাড়ানো হয়। দলীয় ইতিহাস যাতে না রাখা হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। জাদুঘরের দায়িত্বে যারা রয়েছেন, তাদের আমরা আমাদের মতামত দিয়েছি।’
বিএনপি ভারতকে ভয় পাচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘এসব ইতিহাসের অংশ। ভয় না পেলে কেন থাকবে না। বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের সঙ্গে ভারতও জড়িত ছিল।’
জাদুঘরে দর্শনার্থীর চাপ সামলানোর সক্ষমতা যথাযথ নেই উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘লোকবল নেই। কাঠামো এবং আইন প্রয়োজন। ২০০ জন লোকবল প্রয়োজন। বিপরীতে ১৫-২০ জন রয়েছে। নিরাপত্তাহীনতা ও ঝুঁকি রয়েছে। এটি শায়িত্বশাসিত হওয়া উচিত।’
সরকারের আপসপূর্ণ মনোভাবের কারণে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ভারতে বসে প্রেস কনফারেন্স করেছে বলে অভিযোগ বিরাধী দলীয় চিফ হুইপের। তিনি বলেন, ‘সরকার শুধু একটি প্রেস রিলিজ দিয়ে দায় সেরেছে।’
ডেল্টা টাইমস/ আরএফ