জামায়াতে গেলে মানুষের হিতাহিতজ্ঞান থাকে না, আপনি তার নিকৃষ্ট ও বাস্তব উদাহরণ

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের সমালোচনা করে বলেছেন, ‘কর্নেল অলি আহমেদের মতো মানুষ আমার

2026-08-03T11:52:15+06:00
2026-08-03T11:52:15+06:00
সোমবার, ০৩ আগস্ট, ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

কর্নেল অলির উদ্দেশে রাশেদ খাঁন
জামায়াতে গেলে মানুষের হিতাহিতজ্ঞান থাকে না, আপনি তার নিকৃষ্ট ও বাস্তব উদাহরণ
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫২ এএম   (ভিজিট : ৯)

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের সমালোচনা করে বলেছেন, ‘কর্নেল অলি আহমেদের মতো মানুষ আমার সমালোচনা সহ্য করতে না পেরে, আমার বাবা-মায়ের পরিচয় নেই বলে যে ধরনের ঘৃণ্য বক্তব্য দিয়েছেন, এরপর থেকে তিনি আর ন্যূনতম সম্মান পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন না। তবুও আমি তাকে সম্মান দিয়েই কথা বলব।’

রোববার (২ আগস্ট) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, কর্নেল অলি আহমেদ এক সপ্তাহের মধ্যে বিএনপি সরকারের পতনের হুমকি দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবে উল্লেখ করা মাসুদ করিমের সঙ্গে অলির সখ্য ও লেনদেনের বিষয়টি সামনে এনেছেন। তার ভাষ্য, এ বিষয়ে অতীতে প্রথম আলোসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি কর্নেল অলির প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘আপনার সৎ সাহস থাকলে বলুন, আপনার সঙ্গে মাসুদ করিমের কোনো সম্পর্ক ছিল না।’

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ‘আপনি আমাকে “র” বা মোসাদের এজেন্ট বলেছেন। কিন্তু এই বাংলাদেশে আমরা যখন আধিপত্যবিরোধী সংগ্রাম করতে গিয়ে মার খেয়েছি, মামলা খেয়েছি, তখন আপনি হাসিনার গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে আপস করে বিরোধী দলের আন্দোলনকে ব্যর্থ করার ফাঁদে পা দিয়েছিলেন।’

তিনি আরও দাবি করেন, কর্নেল অলি আহমেদ বিএনপির কাছে জামায়াতের জন্য বেশি আসন চেয়েছিলেন। তবে বিএনপি তদন্ত করে দুর্বল প্রার্থীদের কাছে বেশি আসন ছেড়ে দিলে সেগুলো জামায়াতের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে বলে সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি বলেন, ‘আপনি যে জামায়াতের হয়ে খেলছিলেন, সেটির প্রমাণই পরে জামায়াত জোটে আপনার যোগদান।’

নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে রাশেদ খান লেখেন, ‘আমি কোনো বংশ বা মা-বাবার পরিচয়ে এই পর্যন্ত আসিনি। আল্লাহর অশেষ রহমতে একজন শ্রমিকের সন্তান হয়েও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি। আমার চৌদ্দ গোষ্ঠীর মধ্যে আমিই একমাত্র গ্র্যাজুয়েট। ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে একজন সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে ভূমিকা রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি।’

পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘একজন বর্ষীয়ান নেতা হয়েও আমার মা-বাবাকে নিয়ে ঘৃণ্য বক্তব্য দিয়ে আপনি নিজের বংশ ও জাত চেনালেন। জামায়াতে গেলে যে মানুষের হিতাহিতজ্ঞান থাকে না, আপনি (কর্নেল অলি আহমেদ) তার নিকৃষ্ট ও বাস্তব উদাহরণ।’

তবে রাশেদ খানের উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের কোনো প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ