ঢাকার চারপাশে ফের ওয়াটার বাস চালুর পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানী

সড়ক ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, ঢাকার চারপাশের চক্রাকার নৌপথে বেসরকারি উদ্যোগে আবারও ওয়াটার বাস চালুর পরিকল্পনা

2026-08-02T14:37:43+06:00
2026-08-02T14:45:54+06:00
রবিবার, ০২ আগস্ট, ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানালে
ঢাকার চারপাশে ফের ওয়াটার বাস চালুর পরিকল্পনা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশ: রোববার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৭ পিএম  আপডেট: ০২.০৮.২০২৬ ২:৪৫ পিএম  (ভিজিট : ১০)
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

সড়ক ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, ঢাকার চারপাশের চক্রাকার নৌপথে বেসরকারি উদ্যোগে আবারও ওয়াটার বাস চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। নগরবাসীর যাতায়াত সহজ করার পাশাপাশি নদীকেন্দ্রিক বিনোদন ও পর্যটনের বিকাশে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।


রবিবার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নৌপরিবহনমন্ত্রী।


তিনি বলেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করা হবে। এরপর ধাপে ধাপে চক্রাকার নৌপথে ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।


মন্ত্রীর ভাষ্যে, আশুলিয়া থেকে সদরঘাট হয়ে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত নদীপথের একটি অংশ যাত্রীবান্ধব হলেও অন্য অংশে এখনো নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। সড়কপথে যেখানে দেড় থেকে দুই ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌঁছানো যায়, সেখানে নদীপথে সময় লাগে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা—ফলে যাত্রীরা এতে আগ্রহী হন না এবং যাত্রীসংকট তৈরি হয়।


শেখ রবিউল আলম বলেন, এর আগে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) ওয়াটার বাস পরিচালনা করেছিল। কিন্তু যাত্রীস্বল্পতা, নদীদূষণ ও পরিচালন ব্যয়ের কারণে গত ১০ বছরে সংস্থাটির প্রায় ৫৭ কোটি টাকা লোকসান হয়, ফলে সেবা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এবার কিছু বেসরকারি উদ্যোক্তা ওয়াটার বাস পরিচালনায় আগ্রহ দেখিয়েছেন, যাদের লক্ষ্য শুধু যাত্রী পরিবহন নয়—নদীকেন্দ্রিক পর্যটন ও বিনোদনের সম্ভাবনাকেও কাজে লাগানো।


তিনি জানান, যাত্রী বাড়াতে হলে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরপর ওয়াটার বাস ছাড়তে হবে। তবে বেশিসংখ্যক নৌযান পরিচালনা করলে ব্যয়ও বাড়বে, আর ব্যয়ের তুলনায় আয় কম হলে পরিচালনাকারীরা আবারও লোকসানের মুখে পড়বেন।


নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, নদীদূষণ বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। নদীতে দুর্গন্ধ, আবর্জনা ও দূষিত পরিবেশ থাকলে মানুষ নদীপথে ভ্রমণে আগ্রহী হবেন না। তাই নদী পরিষ্কার রাখা, দুই তীরের পরিবেশ উন্নয়ন এবং মনোরম পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।










  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ