
ফাইল ছবি
দিনাজপুরের হিলি বাজারে সব ধরনের চালের দাম কমতে শুরু করেছে। ভারত থেকে চাল আমদানির খবরে বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি চালের দাম ৪ থেকে ৬ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে আপাতত চালের দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই।
সোমবার (৬ জুলাই) হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, স্বর্ণা জাতের চাল বর্তমানে প্রতি কেজি ৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৫২ টাকা। ঊনত্রিশ (২৯) জাতের চালের দাম ৫০ টাকা থেকে কমে ৪৬ টাকায় নেমেছে। এ ছাড়া মিনিকেট চালের দাম কেজিতে ৭০ টাকা থেকে কমে বর্তমানে ৬৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
হিলি বাজারের চাল ব্যবসায়ী অনুপ বসাক জানান, বোরো মৌসুমে মিল মালিকদের সীমিত সরবরাহের কারণে চালের দাম বেড়ে গিয়েছিল। তবে সরকার ভারত থেকে চাল আমদানির অনুমতি দিতে যাচ্ছে—এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সম্ভাব্য লোকসান এড়াতে মিলাররা গুদামজাত চাল বাজারে ছাড়তে শুরু করেছেন। এতে বাজারে সরবরাহ বেড়েছে এবং পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই চালের দাম কমেছে।
তিনি বলেন, "এখন আমরা কম দামে চাল কিনতে পারছি, তাই ভোক্তাদের কাছেও কম দামে বিক্রি করছি। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে দাম স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করছি।"
এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের দিনাজপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন বলেন, "নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। কেউ যাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়াতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রয়েছে। অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
ডেল্টা টাইমস/তাছির উদ্দিন বাপ্পি