শিশুদের খাদ্য নিয়ে অনিয়ম সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

শিক্ষা

স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে শিশুদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাদ্যের মান ও সরবরাহে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়ম বরদাশত করা

2026-05-24T14:45:08+06:00
2026-05-24T14:45:08+06:00
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শিশুদের খাদ্য নিয়ে অনিয়ম সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: রোববার, ২৪ মে, ২০২৬, ২:৪৫ পিএম   (ভিজিট : ২৯)
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে শিশুদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাদ্যের মান ও সরবরাহে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।  

রোববার (২৪ মে) রাজধানীতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি কোনো সাধারণ সভা নয়। শিশুদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মসূচি। যারা দায়িত্বে আছেন সরকারি কর্মকর্তা হোন কিংবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, সবাইকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে ১৫১টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে। এত বড় একটি কর্মসূচিতে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না হলে তা সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবার জন্য বিব্রতকর হবে।

খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ব্যবসাবান্ধব। কিন্তু ব্যবসার নামে শিশুদের খাদ্যের মানের সঙ্গে কোনো আপসের সুযোগ নেই। যারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না, তারা ভবিষ্যতে এই কার্যক্রমে থাকতে পারবেন না।

এদিন সভায় বেশকিছু নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ সাপ্লাই চেইন ম্যাপিং, ফুড টেকনিশিয়ান নিয়োগ, স্থানীয়ভাবে খাদ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত করা, প্রতিদিন নির্ধারিত দিনে বিদ্যালয়ে খাদ্য পৌঁছে দেয়া এবং খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে কোথা থেকে খাদ্য আসছে, কীভাবে প্রক্রিয়াজাত হচ্ছে এবং কার মাধ্যমে বিদ্যালয়ে পৌঁছাচ্ছে- সবকিছুর পূর্ণাঙ্গ তথ্য সরকারের কাছে থাকতে হবে। সরকারের মূল লক্ষ্য- শিশুরা যেন সঠিকভাবে পুষ্টিকর খাবার পায়। এজন্য বাস্তবসম্মত সব ধরনের সহযোগিতা সরকার দেবে। তবে দায়িত্বপ্রাপ্তদেরও নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

এদিন সভায় উপস্থিত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা আরও জোরদারের আশ্বাস দেন। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, এটি একটি পাইলট কর্মসূচি। এখন যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত হচ্ছে, সেগুলো সমাধান করেই আগামীতে সারা দেশে আরও কার্যকরভাবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

সভায় অন্যদের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী ছাড়াও প্রকল্প পরিচালক, উপ-পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সব ঠিকাদার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন।


ডেল্টা টাইমস্/আইইউ








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ