
স্পেনে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের উদ্যোগে ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস’ উদযাপন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘শতবর্ষে জাতির পিতা, সুবর্ণে স্বাধীনতা অভিবাসনে আনবো মর্যাদা ও নৈতিকতা’।
দিবসটি উপলক্ষে শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) মাদ্রিদে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে দূতাবাসের মিলনায়তনে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। দূতাবাসের প্রথম (সচিব শ্রম) মুতাসিমুল ইসলামের সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াতের মধ্যদিয়ে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শুরু হয় সকাল ১১ টায়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০০০ সালের ৪ ডিসেম্বর দিনটি বিশ্বব্যাপী উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেয়। মূলত বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অভিবাসন ও বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি ঘিরেই এ দিবসের উৎপত্তি। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবের পৃথক পৃথক বাণী পড়ে শোনানো হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ স্পেন প্রবাসী অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অভিবাসন কার্যক্রম ও কল্যাণে যুক্ত সব জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের প্রাক্কালে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস যথাযথ গুরুত্ব নিয়েই আমাদের সম্মুখে উপস্থিত হয়েছে।
আলোচনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের কাউন্সেলর এটিএম আব্দুর রউফ মন্ডল, কমার্শিয়াল কাউন্সেলর রেদোয়ান আহমেদ, কাউন্সেলর দীন মোহাম্মদ ইনামুল হক, স্পেন আওয়ামী লীগের সভাপতি এস আর আইএস রবিন, সাধারণ সম্পাদক রিজভী আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম সেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল কামালী, প্রবাসী মানবাধিকার সংগঠন ভ্যালিয়েন্তে বাংলার সভাপতি মো. ফজলে এলাহী, কানেক্ট বাংলাদেশের সমন্বয়ক ও স্পেন আওয়ামীলীগের সদস্য আফসার হোসেন নীলুসহ স্পেন আওয়ামী লীগ নেতারা অংশ নেন। আলোচনাসভা শেষে উপস্থিত সবাইকে মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে আপ্যায়িত করা হয়।