২০২৭ সালে শবে মেরাজ হবে দুবার

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

ধর্ম

আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী একই বছরে দুবার পবিত্র শবে মেরাজ অনুষ্ঠিত হবে।ইংরেজি সৌর বছরের

2026-11-05T16:57:34+06:00
2026-11-05T16:57:34+06:00
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

২০২৭ সালে শবে মেরাজ হবে দুবার
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৭ পিএম   (ভিজিট : ০)

আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী একই বছরে দুবার পবিত্র শবে মেরাজ অনুষ্ঠিত হবে।

ইংরেজি সৌর বছরের (৩৬৫ দিন) চেয়ে আরবি বা হিজরি চন্দ্র বছর (৩৫৪ বা ৩৫৫ দিন) ১০ থেকে ১১ দিন কম হয়। এই পার্থক্যের কারণে প্রতি বছরই ইসলামিক বিশেষ দিবসগুলো ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১০-১১ দিন এগিয়ে আসে। এই নিয়মের ধারাবাহিকতায়ই ২০২৭ সালে একই ইংরেজি বছরের শুরুতে এবং শেষে দুবার শবে মেরাজ।

২০২৭ সালের সরকারি ছুটি অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, প্রথমবার ২০২৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, দ্বিতীয়বার ২৪ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে। তবে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে এই তারিখগুলো এক-দুদিন পরিবর্তন হতে পারে।

ইসলামিক গবেষকদের মতে, চন্দ্র বছরের এই হিসাবের কারণে প্রতি ৩০ বা ৩৩ বছর পর পর ইংরেজি ক্যালেন্ডারে একই বছরে রমজান, ঈদ বা শবে মেরাজের মতো পবিত্র দিনগুলো দুবার ফিরে আসে।

মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের পর ২০২৭ সালের ছুটির তালিকা প্রকাশ করে সরকার। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ছুটির তালিকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

আগামী বছর সাধারণ ও নির্বাহী আদেশ মিলিয়ে ২৯ দিন ছুটি থাকবে। এরমধ্যে সাতদিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার।

সাধারণ ছুটি

২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ৫ মার্চ জুমাতুল বিদা, ১০ মার্চ ঈদুল ফিতর, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি, ১ মে মে দিবস, ১৭ মে ঈদুল আজহা, ২০ মে বুদ্ধপূর্ণিমা (বৈশাখী পূর্ণিমা), ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস, ১৫ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), ২৫ আগস্ট জন্মাষ্টমী, ১০ অক্টোবর দুর্গাপূজা (বিজয়া দশমী), ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিন (বড়দিন)।

নির্বাহী আদেশে ছুটি

২৪ জানুয়ারি শবেবরাত, ৭ মার্চ শবেকদর, ৮ ও ৯ মার্চ এবং ১১ ও ১২ মার্চ ঈদুল ফিতরের আগে দুই ও পরে দুদিনসহ মোট চারদিন, ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ, ঈদুল আজহার আগে ১৫ ও ১৬ মে দুদিন এবং পরে ১৮ থেকে ২০ মে পর্যন্ত তিনদিনসহ মোট পাঁচদিন, ১৬ জুন আশুরা এবং ৯ অক্টোবর দুর্গাপূজার মহানবমীর দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে।

ঐচ্ছিক ছুটি
ঐচ্ছিক ছুটির মুসলিম পর্বের মধ্যে রয়েছে- ৬ জানুয়ারি শবে মেরাজ, ১৩ মার্চ ঈদুল ফিতরের পরের তৃতীয় দিন, ২১ মে ঈদুল আজহার পরের চতুর্থ দিন, ২৮ জুলাই আখেরি চাহার সোম্বা, ১৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম এবং ২৬ ডিসেম্বর শবে মেরাজ।

হিন্দু পর্বের ঐচ্ছিক ছুটির দিনগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১১ ফেব্রুয়ারি সরস্বতী পূজা, ৬ মার্চ শিবরাত্রী ব্রত, ২২ মার্চ দোলযাত্রা, ৪ এপ্রিল হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, ৩০ সেপ্টেম্বর মহালয়া, ৭ ও ৮ অক্টোবর দুর্গাপূজা (সপ্তমী ও অষ্টমী), ১৪ অক্টোবর লক্ষ্মীপূজা এবং ২৮ অক্টোবর শ্যামাপূজা।

এছাড়া ১ জানুয়ারি ইংরেজি নববর্ষ, ১০ ফেব্রুয়ারি ভস্ম বুধবার, ২৫ মার্চ পূণ্য বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ পূণ্য শুক্রবার, ২৭ মার্চ পূণ্য শনিবার, ২৮ মার্চ ইস্টার সানডে এবং ২৪ ও ২৬ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মোৎসব (বড়দিনের আগে ও পরের দিন) হচ্ছে খ্রিস্টান পর্বের ঐচ্ছিক ছুটি।

ঐচ্ছিক ছুটির বৌদ্ধ পর্বের মধ্যে রয়েছে- ২০ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমা, ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি (তিনটি পার্বত্য জেলা ছাড়া দেশের অন্যত্র সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য প্রযোজ্য), ১৯ ও ২১ মে বুদ্ধ পূর্ণিমা (পূর্বের ও পরের দিন), ১৮ জুলাই আষাঢ়ী পূর্ণিমা, ১৫ সেপ্টেম্বর মধু পূর্ণিমা এবং ১৪ অক্টোবর প্রবারণা পূর্ণিমা (আশ্বিনী পূর্ণিমা)।

পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা ও এর বাইরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত কর্মচারীদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটির মধ্যে রয়েছে- ১২ ও এপ্রিল বৈসাবি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর অনুরূপ সামাজিক উৎসব।








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ