সরকারি ক্রয়ে প্রতিযোগিতা বাড়াতে আইনে পরিণত হচ্ছে অধ্যাদেশ

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

জাতীয়

সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও প্রতিযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘পাবলিক

2026-11-03T09:20:29+06:00
2026-11-03T09:20:29+06:00
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

সরকারি ক্রয়ে প্রতিযোগিতা বাড়াতে আইনে পরিণত হচ্ছে অধ্যাদেশ
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২০ এএম   (ভিজিট : ১২)

সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও প্রতিযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। একই সঙ্গে বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন কার্যক্রমের বিস্তার নিশ্চিত করতে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এসব অনুমোদন দেওয়া হয়। সন্ধ্যায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সম-আচরণ ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারি ক্রয়ের মূল আইনি কাঠামো ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬’ এ পর্যন্ত মোট ছয় দফা সংশোধন করা হয়েছে। সর্বশেষ গত ২১ সেপ্টেম্বর ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারির মাধ্যমে আইনটি সংশোধন করা হয়।

তিনি আরও বলেন, দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা এবং ক্রয়কার্যে অধিকতর প্রতিযোগিতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন, অতি ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র, নারী এবং সুযোগবঞ্চিত দরপত্রদাতাদের জন্য বিশেষ সুবিধা সংরক্ষণ, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির কার্যপ্রণালির আধুনিকায়ন, সম্পদের সুষম বিস্তারের লক্ষ্যে সীমিত দরপত্র পদ্ধতির অধিকতর প্রয়োগের বিধান, পেশাগত অসদাচরণ-সংক্রান্ত বিধানের স্পষ্টীকরণ এবং রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয়ব্যবস্থার সংস্থানসহ বিভিন্ন যুগোপযোগী বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সংবিধান অনুযায়ী জারি করা অধ্যাদেশটি আইনে রূপান্তরের উদ্দেশ্যে বিল আকারে জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে উপস্থাপন করতে হবে। এ জন্য প্রণীত আইনের খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়।

এদিকে, ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া জনমত যাচাইয়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) এবং বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে খসড়া আইনটি মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।

অন্যদিকে, বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন কার্যক্রমের দ্রুত বিস্তার নিশ্চিত করতে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ অধ্যাদেশ, ২০২৬’ ইতোমধ্যে জারি করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী অধ্যাদেশ জারির পর সংসদ অধিবেশন বসলে প্রথম বৈঠকেই তা উত্থাপনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ কারণে অধ্যাদেশটিকে স্থায়ী আইনে রূপ দিতে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই বা ভেটিং-সাপেক্ষে মন্ত্রিসভা খসড়াটিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার এবং আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমনে হংকংয়ের সঙ্গে পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তি (মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইন ক্রিমিনাল ম্যাটার্স) সইয়ের খসড়াও মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।


ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ