রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

আইন-আদালত

পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলায় রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালউদ্দিন চৌধুরীসহ আটজনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।আজ

2026-10-13T15:36:52+06:00
2026-10-13T15:36:52+06:00
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালের ১৪ বছরের কারাদণ্ড
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৬ পিএম   (ভিজিট : ৯)

পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলায় রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালউদ্দিন চৌধুরীসহ আটজনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ মো. আব্দুস সালাম এ রায় ঘোষণা করেছেন।

পৃথক দুই ধারায় তাদের এই সাজা দেওয়া হয়েছে। তাই তাদের অন্তত ৭ বছর কারাভোগ করতে হবে।

এছাড়া বরাদ্দ দুটি প্লটও বাতিল করেন আদালত। 

তবে দুই ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে। ফলে প্রত্যেককে সাত বছর কারাগারে থাকতে হবে।

দণ্ডিত অপর আসামিরা হলেন রাজউকের সাবেক সদস্য (উন্নয়ন) এসডি ফয়েজ, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) এ কে এম ওয়াহেদুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (অর্থ) এস এম জাফর উল্লাহ, সাবেক সদস্য (প্রশাসন ও ভূমি) এইচ এম জহুরুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) মো. রেজাউল করিম তরফদার এবং প্লট বরাদ্দ পাওয়া শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজ।

দুদক প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন বলেন, অপরাধমূলক অসদাচরণের দায়ে দুই ধারায় আট আসামিকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইভাবে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের দায়ে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে। দুই ধারার সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম মিঠু জানান, আসামিরা জামিনে ছিলেন। তবে মঙ্গলবার রায় ঘোষণার সময় তারা আদালতে উপস্থিত হননি। এ কারণে তাদের জামিন বাতিল করে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০১ সালের ২৩ আগস্ট থেকে ২০১৪ সালের ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে রাজউকের তৎকালীন চেয়ারম্যান ইকবাল উদ্দিন চৌধুরীসহ সংস্থাটির পাঁচ সাবেক সদস্য পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। বৈধ আবেদনকারীদের বঞ্চিত করে আশফাক আজিজ রুবেল ও শওকত আজিজকে লাভবান করার উদ্দেশ্যে অথবা নিজেরা লাভবান হয়ে রাজউকের অনুমোদিত ১০ কাঠা আয়তনের দুটি প্লট বরাদ্দ দেন তারা। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়।


এ ঘটনায় দুদকের তৎকালীন উপপরিচালক সিলভিয়া ফেরদৌস ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মতিঝিল থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে দুদকের তৎকালীন উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

২০১৯ সালের ২৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। বিচার চলাকালে নয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন এবং রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মঙ্গলবার রায় ঘোষণা করেন আদালত।








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ