ভারতের দিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা হয়েছে। বেআইনিভাবে জমায়েতের অভিযোগে মমতাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টিভি৯।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউতে বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন দোলা সেন, ডেরেক ও’ব্রায়েনরা। দিল্লি পুলিশ এসে তাদের সরতে বলেন। ধর্না প্রত্য়াহার করতে বলেন। কিন্তু তারপরও ধর্নায় বসে থাকেন মমতা ও তৃণমূলের বাকি সদস্যরা। এরপরই আটক করা হয় তাদের।
এরআগে কেরালা রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে শনিবার সকালে যন্তর মন্তর রোডে কেরালা হাউসের কাছে তাকে আটক করা হয়েছে। বিজয়ন বর্তমানে দিল্লির ছত্রশাল স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সের ভেতরে রয়েছেন।
এদিকে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নির্ধারিত বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আগেই দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক। মুম্বাই থেকে আসা এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ দিল্লিতে অবতরণের পরপরই তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা দলের আরও দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকেও আটক করে পুলিশ।
বিক্ষোভে অংশ নিতে জার্মানি থেকে ভারতে আসা জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও আটক করা হয়েছে। শনিবার সকালে গুরগাঁওয়ের সেক্টর ৫৬ এলাকায় তার বাসা থেকে তাকে আটক করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে। ৩২ বছর বয়সী এই ইউটিউবারকে আটক করতে দিল্লি পুলিশের প্রায় ৫০ জন সদস্য তার বাসায় গিয়েছিলেন বলে সূত্রটি জানিয়েছে।
এ ছাড়া সিজেপির আইন বিভাগের প্রধান রত্না সিংও বিক্ষোভের আগে তাকে আটক করার দাবি করেছেন। এ বিষয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ঘিরে একের পর এক আটকের এসব ঘটনা ঘটেছে। তবে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পুলিশের পক্ষ থেকে কী অভিযোগ আনা হয়েছে, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হয়নি।