খুলনায় ডেঙ্গু আতঙ্ক, রেড জোনে ৩১ ওয়ার্ড

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

সারাদেশ

খুলনায় প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে খুলনা সিটি করপোরেশন।

2026-09-19T15:43:19+06:00
2026-09-19T15:45:37+06:00
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

খুলনায় ডেঙ্গু আতঙ্ক, রেড জোনে ৩১ ওয়ার্ড
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৩ পিএম  আপডেট: ১৯.০৯.২০২৬ ৩:৪৫ পিএম  (ভিজিট : ৫)

খুলনায় প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে খুলনা সিটি করপোরেশন। সরকারি হাসপাতালে সিট না পেয়ে মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকেই। জেলার বাইরে থেকেও ডেঙ্গু রোগীরা আসছেন চিকিৎসা নিতে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী খুলনা জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ৮৩ জন রোগী ভর্তি ছিল। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে ৮০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছেন। এখন পর্যন্ত খুলনা জেলায় সরকারি হিসাব অনুযায়ী প্রায় ছয় হাজার মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।

খুলনা সিটি করপোরেশন নগরীকে তিনটি জোনে ভাগ করে মশক নিধন প্রোগ্রাম চালু করেছে।  জেলার নয়টি উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অর্ধেকের বেশী ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছে। এসব হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে জ্বর ও ডেঙ্গুর লক্ষণ নিয়ে ৩০-৪০ জন রোগী আসেন চিকিৎসা নিতে। অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় চলে যান। তবে গুরুতর রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ৮৩ জন। উপজেলার মধ্যে দিঘলিয়া, তেরখাদা, রুপসা, ফুলতলা এবং বটিয়াঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন গড়ে ১০-১২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন।

খুলনা শহরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছোট ছোট বেসরকারি ক্লিনিকগুলো রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। সারাদিন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী আসা-যাওয়া করছে। রোগী রাখতে না পারায় অনেককে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ফেরত দিতে হচ্ছে। একজন ডেঙ্গু রোগীকে কমপক্ষে তিনদিন ভর্তি রেখে চিকিৎসা দিতে হয়। প্রতিদিন রোগীর চাপ বেড়েই চলেছে। বেশিরভাগ রোগী খুলনার বিভিন্ন উপজেলা কিংবা নিকটবর্তী জেলা বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা থেকে আসছে।








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ