উপকূলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার দাবি

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

সারাদেশ

উপকূলীয় অঞ্চলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে ৪২টি নাগরিক ও সামাজিক সংগঠন।

2026-09-18T12:57:45+06:00
2026-09-18T12:57:45+06:00
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

উপকূলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার দাবি
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৭ পিএম   (ভিজিট : ৫)
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

উপকূলীয় অঞ্চলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে ৪২টি নাগরিক ও সামাজিক সংগঠন। শুক্রবার খুলনার পাইকগাছা ও সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় আয়োজিত সাইকেল র‌্যালি ও সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়।

‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ শীর্ষক মাসব্যাপী প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং পরিচ্ছন্ন ও ন্যায়ভিত্তিক জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এ প্রচারাভিযানের লক্ষ্য।

পাইকগাছার মাহমুদকাটীতে অনির্বাণ লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে হরিঢালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে সাইকেল র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি পাইকগাছার কপিলমুনি, কাশিমনগর এবং সাতক্ষীরার তালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে প্রচার চালানো হয়।

সচেতন সংস্থার সভাপতি বিদ্যুৎ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র। তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির কোনো বিকল্প নেই। উপকূলীয় এলাকায় এ খাতে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে এখনই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

নিখিল চন্দ্র ভদ্র বলেন, উপকূলে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের জন্য বিপুল জমি রয়েছে। রামপাল ও মাতারবাড়ীর মতো বিদ্যুৎ প্রকল্পে থাকা জমি কাজে লাগিয়ে বড় পরিসরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। পাশাপাশি উপকূলের বেড়িবাঁধ ও বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলও সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় আনা যেতে পারে। এ জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রয়োজন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত করার পাশাপাশি বায়ুদূষণ বাড়াচ্ছে। বায়ুদূষণের কারণে সোলার প্যানেলে ধুলার স্তর জমে এর কার্যক্ষমতা কমে যায়। ফলে দূষণ কমানো গেলে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যকারিতাও বাড়বে।

বক্তারা আরও বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি শুধু পরিবেশ সুরক্ষার বিষয় নয়; এর সঙ্গে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়ও জড়িত। আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার ঝুঁকি কমাতে দেশের নিজস্ব উৎস থেকে জ্বালানি উৎপাদন বাড়াতে হবে। এ জন্য নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জনে সুস্পষ্ট পথনকশা, কার্যকর পদক্ষেপ ও দৃঢ় অঙ্গীকার প্রয়োজন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সমীরণ দে, অনির্বাণ লাইব্রেরির সহ-সভাপতি বাসুদেব রায় ও মানিক ভদ্র, উন্নয়নকর্মী এস এম আফজাল হোসেন এবং পরিবেশকর্মী শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ