প্রকাশ: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫২ পিএম আপডেট: ১২.০৯.২০২৬ ১:৫৩ পিএম (ভিজিট : ১৭)

শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছেন মোঃ মকছেদুল ইসলাম সোহাগ। তবে দলীয় রাজনীতির বাইরে গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে সমাজসেবামূলক নানা কাজেও নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন তিনি। ৩নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের দরিদ্র, অসহায় ও স্বল্প আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বছরের পর বছর ধরে তিনি অর্জন করেছেন এলাকাবাসীর আস্থা ও ভরসা।
শীতকালে শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণ, রমজান মাসে দুস্থদের ইফতারসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া, আবার ঈদের সময় চাল-ডালসহ খাদ্যপণ্য ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া—এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বছরজুড়েই সমাজসেবায় সক্রিয় থাকতে দেখা যায় তাঁকে।
এলাকাবাসীর ভাষ্যে উঠে এসেছে, তাঁর এই সহায়তা কোনো নির্দিষ্ট উৎসব বা মৌসুমের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ইউনিয়নের যেকোনো বাসিন্দা বিপদে পড়লেই সাধ্যমতো তাঁর পাশে দাঁড়ান সোহাগ। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ রাখা এবং প্রয়োজনের মুহূর্তে পাশে থাকার এই প্রবণতার কারণেই এলাকায় তাঁকে ঘিরে জনআগ্রহ ও প্রত্যাশা ক্রমেই বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নিজের রাজনৈতিক দর্শন সম্পর্কে সোহাগ বলেন, রাজনীতি তাঁর কাছে মানুষের সেবার একটি মাধ্যম। তাঁর ভাষ্যে, একজন জনপ্রতিনিধির প্রধান কাজ হওয়া উচিত দলমতের ঊর্ধ্বে থেকে জনগণের কল্যাণ সাধন এবং একটি নিরাপদ ও উন্নত জনপদ গড়ে তোলা।
ভবিষ্যতে নির্বাচিত হলে ৩নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত করাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার হিসেবে তুলে ধরেছেন তিনি। এ লক্ষ্যে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সচেতন করা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের প্রসার ঘটানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর জোর দিতে চান তিনি।
এ প্রসঙ্গে মোঃ মকছেদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, “মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোটা আমি নিজের দায়িত্ব বলেই মনে করি। আমি চাই, আউলিয়াপুর ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষ নিরাপত্তা ও সম্মানের সঙ্গে বসবাস করুক। সুযোগ পেলে মাদকমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত একটি ইউনিয়ন গড়তে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব।”
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, মানুষের পাশে থাকার অভ্যাস এবং সমাজসেবামূলক কাজের অভিজ্ঞতা—এই তিনটি বিষয়কে কাজে লাগিয়ে আগামীতে এলাকার উন্নয়নে আরও বড় পরিসরে ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই