‘সংযোগ নয়, গুণগত ও অর্থবহ কানেক্টিভিটিই সরকারের প্রধান লক্ষ্য’

জাতীয়

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, কেবল সংযোগ স্থাপন নয়, বরং গুণগত ও অর্থবহ কানেক্টিভিটি

2026-09-07T19:34:12+06:00
2026-09-07T19:34:12+06:00
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম
‘সংযোগ নয়, গুণগত ও অর্থবহ কানেক্টিভিটিই সরকারের প্রধান লক্ষ্য’
প্রকাশ: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম   (ভিজিট : ০)
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, কেবল সংযোগ স্থাপন নয়, বরং গুণগত ও অর্থবহ কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করাই বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য। রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে অনুষ্ঠিত এশিয়া-প্যাসিফিক টেলিকমিউনিটি (APT)-এর ওয়্যারলেস গ্রুপের ৩৭তম সভা (AWG-37)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রায় ১৯১ মিলিয়ন মোবাইল সাবস্ক্রিপশন রয়েছে এবং ১০৮ মিলিয়নের বেশি গ্রাহক ৪জি সেবা ব্যবহার করছেন। দেশে ৪৯ হাজারের বেশি ৪জি সাইট, প্রায় ৪৬ হাজার টাওয়ার এবং ১ লাখ ৭৩ হাজার কিলোমিটার ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক রয়েছে। 

তিনি উল্লেখ করেন, এখন শুধু সংযোগ বাড়ানো নয়, বরং গুণগত মান, সাশ্রয়ী মূল্য, নির্ভরযোগ্যতা ও অর্থবহ কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে এআই (AI), সাইবার নিরাপত্তা, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও ৫জি-সহ ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ডিজিটাল অবকাঠামো শক্তিশালী করা, সুস্থ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা এবং টেলিযোগাযোগ সেবা আরও সাশ্রয়ী করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান মন্ত্রী। 

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেন, টেলিযোগাযোগ খাত দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং নতুন প্রযুক্তির সুফল নিশ্চিত করতে সময়োপযোগী নীতি, আধুনিক অবকাঠামো, দক্ষতা বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এপিটির সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই সভার মাধ্যমে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. মো. এমদাদ উল বারী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

সভায় এসব বিষয়ে আঞ্চলিক সুপারিশ প্রণয়ন ও সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হবে। বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান, কমিশনারবৃন্দ, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ, এপিটির সেক্রেটারি জেনারেল Dr. Masanori Kondo এবং এপিটির ওয়্যারলেস গ্রুপের সভাপতি Dr. Daejung Kim অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশে এই সভার আয়োজন দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।


ডেল্টা টাইমস/সিআর/এনজিটি








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ